• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ১৫-১১-২০২২, সময়ঃ বিকাল ০৪:০৬
  • ১১৫ বার দেখা হয়েছে

আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক-শ্রমিক  

আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক-শ্রমিক  

নিজস্ব প্রতিবেদক ►

গাইবান্ধায় আমন ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। এবারে ফলনও সন্তোষজনক। চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ লাখ মেট্রিকটন ধান ঘরে তোলার ল্েয চরম ব্যস্ত সময় পার করছে এখানকার কৃষক-শ্রমিকরা। যেন দম ফেলানোর ফুঁসরত নেই তাদের। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা কৃষি বিভাগ।

জানা যায়, এ জেলায় রোপা আমনের চাষাবাদের ল্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ হেক্টর। সেটি ছাড়িয়ে ১ লাখ ২৯ হাজার ৬৯৯ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। এর মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগে তি হয় প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমির ধান। অবশিষ্ট তে থেকে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮৫৩ মেট্রিকটন ধান উৎপাদনের ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে গাইবান্ধার প্রত্যান্ত অঞ্চলে, কৃষকের মাঠে ও বাড়ির উঠানে ধান কাটা-মাড়াইয়ের চিত্র দেখা যায়। এসময় কোমর বেঁধে কাজ করছিলেন কৃষক-শ্রমিকরা। একই সঙ্গে বসে নেই গৃহবধূরাও। তারাও সোনার ফসল ঘরে তুলছেন মনের আনন্দে।

স্থানীয় কৃষকরা জানায়, গত আমন ও বোরো মৌসুমে নদীবেষ্টিত গাইবান্ধায় নানা দুর্যোগে কৃষকের য়তি হয়েছে। এসব তি পুষিয়ে নিতে এ বছরে অধিক পরিমান জমিতে আবাদ করছে আমন ধান। এসব েেত দেখা দিয়েছে বাম্পার ফলন। ইতোমধ্যে দেশীয় জাতের ধান কাটতে শুরু করছে কৃষকরা। 

ভাতগ্রামের চালোনদহ এলাকার নজরুল ইসলাম নামের এক ধানকাটা শ্রমিক বলেন, কৃষকরা ধান কাটা-মাড়াই শুরু করেছে। এখন এ কাজ করে দৈনিক মজুরী ৩৫০ টাকা পেয়ে জীবিকা নির্বাহ করছি। আনোয়ারুল ইসলাম নামের এক কৃষক জানান, চলতি আমন মৌসুমে দেড় একর জমিতে ধান আবাদ করেন। ফলনও হয়েছে ভালো। এরই মধ্যে তে থেকে ধান কাটা শুরু করা হয়েছে। বাজারে দাম ভালো পেলে অনেকটাই লাভবান হওয়া সম্ভব।

কৃষি বিভাগের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তানজিমুল হাসান বলেন, রোপা আমান মৌসুমে কৃষকদের ভালো ফলন পেতে ও লাভবান করতে তাদের পরমর্শ দেওয়া হচ্ছে। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক বেলাল উদ্দিন জানান, আমন মৌসুমে ল্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়াসহ সার্বিক পরামর্শ অব্যাহত রয়েছে। 
 

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়