Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ১২ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

এশিয়া কাপ জিতেও ট্রফি পেল না ভারত

এশিয়া কাপ জিতেও ট্রফি পেল না ভারত

অনলাইন ডেস্ক ►
নারীদের এশিয়া কাপে রেকর্ড অষ্টমবারের মতো শিরোপা জয়ের পরও ট্রফি ও পদক হাতে নিয়ে উদ্‌যাপন করতে পারল না ভারত। রোববার রাতে দুবাইয়ে শ্রীলংকাকে ৭২ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হয় অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। ভারতের জয়ের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শুরু হতে প্রায় ৫০ মিনিট দেরি হয়। এরপর এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি, যিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান এবং দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও, রানার্সআপ শ্রীলংকার খেলোয়াড়দের পদক দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন। তবে এরপরই আকস্মিকভাবে অনুষ্ঠান শেষ করে দেওয়া হয়।পুরস্কার বিতরণীর অপেক্ষায় থাকার সময় ভারতীয় দল নিজেদের উদ্যোগেই সেরা ফিল্ডারের জন্য পদক দেওয়ার আয়োজন করে। ফিল্ডিং কোচ মুনিশ বালির হাতে এই পদক তুলে দেওয়া হয়। পরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া নন্দনী শর্মার হাতে পদক তুলে দেন। এ সময় বোর্ডের সহসভাপতি রাজীব শুক্লাও উপস্থিত ছিলেন।

পুরস্কার বিতরণী ঘিরে এই পরিস্থিতির সঙ্গে গত বছরের পুরুষদের এশিয়া কাপ ফাইনালের ঘটনার মিল পাওয়া যায়। গত সেপ্টেম্বরে সেই ফাইনালের পর মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ভারত। সে সময় সাইকিয়া বলেছিলেন, পাকিস্তানের ‘প্রধান নেতাদের একজনের’ কাছ থেকে দল ট্রফি নিতে চায়নি। রোববারের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নাকভির উপস্থিতি যে বিতর্ক তৈরি করতে পারে, সেটি আগে থেকেই অনুমেয় ছিল। ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত উত্তেজনা তীব্র হওয়ার পর থেকে দুই দেশের ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাদের মধ্যে হাত মেলানোর ঘটনা এড়িয়ে চলেছে ভারতীয় দল। গত বছর পুরুষ দলও পাকিস্তানের খেলোয়াড় ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে হাত মেলায়নি। এবারও একই অবস্থান ধরে রাখল নারী দল।

পরে সংবাদ সম্মেলনে ভারতের কোচ অমল মুজুমদার বলেন, ‘এই অবস্থান ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড নিয়েছে এবং আমরা সেটির পক্ষেই আছি। আমাদের কাছে এই টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে গেছে, আমরাই চ্যাম্পিয়ন। সেটাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। বড় পর্দায় দেখানো হয়েছে, ভারত ২০২৬ এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন। আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবেই টুর্নামেন্ট শেষ। আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে খুশি এবং এখন এশিয়ান গেমসের দিকে তাকিয়ে আছি।’

সাধারণত ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে বিজয়ী দলের অধিনায়কের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। তবে এবার হারমানপ্রীত কৌরের সাক্ষাৎকার আলাদাভাবে সম্প্রচারে নেওয়া হয়, ভারতের জয়ের কয়েক মিনিট পরই। নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে ভারত অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা আমাদের মান অনুযায়ী খেলেছি। এখানে আসার আগে আমরা সেটিই আলোচনা করেছিলাম। আমাদের কিছু নির্দিষ্ট মানদণ্ড আছে এবং প্রতিদিন সেটি ধরে রাখতে হবে। পুরো দল যেভাবে খেলেছে, তাতে আমরা খুবই খুশি। পুরো টুর্নামেন্টে মেয়েরা অসাধারণ খেলেছে। ফাইনালে ১৮৪ রানের লক্ষ্য দেওয়া বড় ব্যাপার।’

দলের জয়ে বিশেষভাবে স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মার প্রশংসা করেন হারমানপ্রীত। দুজনের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১২৯ রান। দুজনই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে তুলে নেন দারুণ দুটি অর্ধশতক। হারমানপ্রীত বলেন, ‘আমরা সবাই জানতাম, দুবাইয়ের ধীরগতির উইকেটে ব্যাটিং করা সহজ হবে না। কিন্তু আমাদের দুই ওপেনার স্মৃতি ও শেফালি যেভাবে ব্যাট করেছে, তা ছিল অসাধারণ। আসলে ভালো ক্রিকেট খেলাটাই মূল কথা। সব মিলিয়ে আমি খুবই খুশি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad