Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৩ ঘন্টা আগে
ফটো কার্ড

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে ৩০ পরিবার গৃহহীন

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে ৩০ পরিবার গৃহহীন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ►
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইউনিয়নটির বিচ্ছিন্ন গোয়ালপুরী চরে সাত দিনে নদী ভাঙনে অন্তত ৩০টি পরিবার বসতভিটা হারিছেন। ভাঙন অব্যাহত থাকায় আরও শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারানোর হুমকির মধ্যে আছেন। ভাঙন কবলিত পরিবারগুলোর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ভাবনায় নির্ঘুম রাত কাটছে।

ব্রহ্মপুত্র নদের কড়াল গ্রাসে গোয়ালপুরী চর মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে বলে জানিয়েছেন যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর। বাজেট না থাকায় এই মুহূর্তে গোয়ালপুরী চরে নদী ভাঙন প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান। নদী তীরের বাসিন্দারা জানান, ভারতের আসাম সীমান্তঘেঁষা গোয়ালপুরী চরে এক সময় প্রায় ৪০০ পরিবারের বসবাস ছিল। দীর্ঘদিনের নদী ভাঙনের কারণে তিন বছরে প্রায় ১৫০টি পরিবার এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙনকবলিত চরের বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। শেষ আশ্রয় টুকু রক্ষায় অনেকে আগেভাগেই ঘরবাড়ি খুলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর বলেন, তিন বছর ধরে গোয়ালপুরী চরে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ চরের প্রায় অর্ধেক নদী গর্ভে হারিয়ে গেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এক সময় চরটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, “জেলার ৩৬টি পয়েন্টে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০টি পয়েন্টে কাজ চলমান রয়েছে। বাকি এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “বাজেট না থাকায় এই মুহূর্তে গোয়ালপুরী চরে ভাঙন প্রতিরোধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। তবে অর্থ বরাদ্দ পাওয়ামাত্রই ভাঙন প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিব।”
 

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad