Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৩ ঘন্টা আগে
ফটো কার্ড

কোচিং সেন্টারে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

কোচিং সেন্টারে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি ►

রংপুরের পীরগাছায় কোচিং সেন্টারে নয় বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলায় প্রধান আসামি দেলোয়ার হোসেন সাগরকে (৩৩) গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় বিষয়য়টি নিশ্চিত করেন পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম খন্দকার মহিব্বুল ইসলাম। এর আগে বুধবার (৬মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের রূপজান টাওয়ার এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে র‌্যাব-১৩ (রংপুর) ও র‌্যাব-১ (গাজীপুর)-এর একটি আভিযানিক দল। গ্রেপ্তার দেলোয়ার পীরগাছা থানার পারুল ইউনিয়নের সুন্দর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন সাগর নিজের বাড়িতে মা কোচিং সেন্টার নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। গত রমজান মাসে তাঁর স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকার সুযোগে তিনি ওই শিশুকে একাধিকবার ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। গলায় ছুরি ধরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে শিশুটিকে মুখ খুলতে বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ গত ১৯ এপ্রিল কোচিং সেন্টার ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে আটকে রেখে পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা করেন দেলোয়ার। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তিনি পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গত ২২ এপ্রিল ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে দেলোয়ার দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।

পীরগাছা থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দেলোয়ারের বিরুদ্ধে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানায় ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(২) ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় আরও একটি মামলা (এফআইআর নং-২৬) রয়েছে। র‌্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম খন্দকার মহিব্বুল ইসলাম জানান, র‌্যাব-১৩ তাঁদের কাছে আসামি দেলোয়ারকে হস্তান্তর করলে ৮ মে শুক্রবার আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আসামির গ্রেপ্তারের খবরে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে শিক্ষকের কাছে সন্তান নিরাপদ থাকার কথা, সেই শিক্ষকই এমন জঘন্য কাজ করেছেন। এলাকাবাসী এই অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad