• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ২৪-১০-২০২২, সময়ঃ সকাল ০৯:১৮
  • ১৭৩ বার দেখা হয়েছে

খানসামায় দোলনা তৈরি করেই ভাগ্যবদল

খানসামায় দোলনা তৈরি করেই ভাগ্যবদল

সুলতান মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর ►

জম্মেও পর পরই প্রয়োজন শিশুদের জন্য দোলনা তৈরী ও বিক্রি করেই দিনাজপুরের খানসামার সিরাজুল ইসলামে ভাগ্যবদল। এতে তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের যেমন কর্মসংস্থান হয়েছে তেমনি সংসারে ফিরে এসেছে আর্থিক স্বচ্ছলতা ও সুখ-শান্তি।

সিরাজুল ইসলাম উপজেলা গোয়ালডিহি ইউনিয়নের পুলহাট এলাকার বাসিন্দা। ঐ এলাকায় মূল রাস্তার পাশেই তার দোলনা তৈরীর কারখানা। এতে প্রতিদিনই কাজে ব্যস্ত থাকেন সিরাজুল ও তাঁর পরিবার।

দোলনা তৈরীর কারিগর সিরাজুলের সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৯০ সালে তাঁর হাতেখড়ি। সেই থেকে যাত্রা শুরু আর কখনও পিছনে ফিরে যেতে হয়নি। সময়ের পরিক্রমায় তার ব্যবসার পরিধি বাড়তে থাকে এতে সে হয় স্বাবলম্বী। এই কাজের ফলে অভাব-অনটন দূর হয়েছে।

জানা যায়, বাঁশ, প্লাস্টিকের ফিতা ও পেরেক দিয়ে দোলনা তৈরি করে সে। প্রতি মাসে গড়ে ২৪০-২৫০টি তার এই কারখানা থেকে তৈরি হয়। দোলনাগুলো আকারভেদে বিক্রি হয় ২শ-৩শ টাকায়।
দোলনা তৈরির কারিগর সিরাজুল, তাঁর ৩ ছেলে ও নাতিরা মিলে কাজের ফলে প্রতি এই কাজে তাদের আয় প্রায় ৫০ হাজার টাকা। এই আয়ে তাদের সংসারের প্রায় ২০ জনের ভরণপোষণ যেমন তেমনি আগামীদিনের জন্য সঞ্চয় জমা থাকে। 

খানসামা উপজেলার পাশাপাশি এসব দোলনা দিনাজপুর ও পার্শ্ববর্তী নীলফামারী, ঠাকুরগাও, রংপুরসহ কয়েকটি জেলা ও উপজেলায় পাইকারী দরে বাজারজাত করে থাকেন সিরাজুল ইসলাম।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত ৩৫ বছর ধরে এই কাজের সাথে আমি সম্পৃক্ত। এতে যেমন আমি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি তেমনি আমার ছেলেরও কর্মসংস্থান হয়েছে। তবে বর্তমানে দোলনা তৈরির উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভের পরিমাণ কমেছে।  

গোয়ালডিহি ইউপি চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন লিটন বলেন, হাতে তৈরি এসব দোলনার ঐতিহ্য ধরে রাখতে সিরাজুল ইসলাম অনেক বছর ধরে এই কাজ করে যাচ্ছে। এ ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে তাদের কাজ প্রশংসার। তারা কোনো সহায়তা পেলে এই কাজের পরিধি যেমন বাড়বে তেমনি আরো কর্মসংস্থান হবে।
 

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়