
সঞ্জয় সাহা ►
গাইবান্ধা শহরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অফিস স্বাস্থ্য বিভাগের জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় অফিস। প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে এখানে সেবা নিতে আসে সেবাপ্রত্যাশীরা। মুসুলধারে টানা বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার রুপ নেয় এই অফিস চত্বরটি। এতে করে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে সেবা নিতে আসা বিভিন্ন মানুষজনকে। বৃষ্টির পানি পাড়িয়ে অফিসে সেবা নিতে হচ্ছে সেবাপ্রত্যাশীদের। বৃষ্টির পানির জন্য ১০ পা দূরত্বের অফিসে প্রবেশ করতে লাগছে রিক্সা ভাড়া। এতে করে জনগণকে একদিকে যেমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, অন্যদিকে গুনতে হচ্ছে টাকা।
গত মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে বুধবার দুপুর অবধি টানা মুসুলধারে বৃষ্টি, অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ড্রেন সংস্কার না করায় গাইবান্ধা শহরের সিভিল সার্জন কার্য়ালয় চত্বর, ডিবি রোডস্থ শাপলা পাড়ার গলি, মধ্যপাড়া রোড, গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের রোড, পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের গলি সহ গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
গাইবান্ধা সিভিল সার্জন অফিসে সেবা নিতে আসা রুবেল নামে এক ভুক্তভোগীর বলেন, সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ অফিস চত্বরে পানি জমে থাকাটা একটা মর্মাহত বিষয়। অনেকের সিভিল সার্জন মহোদয়ের কাছে বা এই অফিসে বিভিন্ন কাজে আসে তাদেরকে ১০ পা দূরত্বের জন্য বৃষ্টির পানির জন্য রিক্সা ভাড়া করতে হচ্ছে বারান্দা পর্যন্ত পৌঁছাতে। এদের মধ্যে তো অনেকের পায়ে ফ্যাকচার থাকতে পারে। তারা কিভাবে হেটে অফিসে আসবেন। এটা একটা বিব্রতকর অবস্থা। এটা কাম্য নয়। বৃষ্টি হলেও যেন পানি না জমে এ জন্য তিনি পৌর কর্তৃপক্ষ সহ স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হানিফ সরদার সাথে সরাসরি কথা হলে তিনি জানান, আমরা বিদেশি প্রকল্পের কিছু ফান্ডের জন্য অপেক্ষা করছি, আবার কিছু প্রকল্প পেয়েছি। জলাবদ্ধতা নিরসনে তা কাজ করা হবে। সে সাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য বিশ্রাম ছাউনি সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তা করা হবে।