Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৪ ঘন্টা আগে
ফটো কার্ড

গুরুদাসপুরে রশি টেনে খেয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

গুরুদাসপুরে রশি টেনে খেয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার

নাটোর প্রতিনিধি ►

নাটোরের গুরুদাসপুরে গুমানী নদীর সেতু না থাকায় তিনটি ইউনিয়নের অন্তত ৪০ হাজার মানুষ খেয়ায় রশি টেনে নদী পারাপার হচ্ছে। এতে করে তারা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। 

সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের আমলে সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। পরে জাতীয় অর্থনীতি পরিষদে (একনেক) অনুমোদন হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সেতু নির্মাণের জন্য সেখানে মাপজোক, মাটি পরীক্ষা (সয়েল টেস্ট) করা হয়। কিন্তু সেতুর নকশা জটিলতার কারণে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকে। 

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গুমানী নদীর উত্তর পাড়ের উত্তর বাহাদুরপাড়া, সাহাপুর চরসাহাপুর খুবজীপুর ইউনিয়নের চরপিপলা, শ্রীপুর সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার কাটাবাড়ি, হেমনগর ওনওখাদাসহ কমপক্ষে ১০টি গ্রাম রয়েছে। নদীটির দক্ষিণ পাড়ে রয়েছে আরও ৫টি গ্রাম। বছরের পর বছর এসব গ্রামের মানুষ খেয়ার ওপর নির্ভরশীল। 

শুকনোয় বাঁশের চারাট আর বর্ষায় নৌকার রশি টেনে পারাপার হতে হয়। শুকনোয় সমস্যা তেমন না হলেও ভরা বর্ষায় স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয়ে থাকে। কারণ নদীটির উত্তর পাড়ে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। সব প্রতিষ্ঠান নদীর দক্ষিণ পাড়ে। এ ছাড়া উপজেলা সদর, হাট-বাজারসহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা রয়েছে দক্ষিণে।

উপজেলা প্রকৌশলী মিলন মিয়া জানান, এখানে ৯৫ ফুট দীর্ঘ সেতু নির্মাণ করার কথা রয়েছে। এখন নকশা অনুমোদন হলেই প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ মিলবে। তখন টেন্ডার আহ্বান করে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা যাবে। তবে কেন, কী কারণে নকশাটি আটকে রয়েছে জানা নেই তাঁর। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, নদীর উত্তর পাড়ে কাঁচা সড়ক পাকাকরণের কাজ চলমান রয়েছে। রশি টেনে খেয়া পারাপারের ঘটনা সত্য। তবে ব্রিজ নির্মাণের অগ্রগতি সম্পর্কে জানা নেই তাঁর।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad