Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৩ ঘন্টা আগে
ফটো কার্ড

গোবিন্দগঞ্জে মৌষুমের শুরুতেই শিলা বৃষ্টিতে এবার কপাল পুড়েছে তামাক চাষীর

গোবিন্দগঞ্জে মৌষুমের শুরুতেই শিলা বৃষ্টিতে এবার কপাল পুড়েছে তামাক চাষীর

গোপাল মোহন্ত, গোবিন্দগঞ্জ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মৌসুমের শুরুতেই শিলা বৃষ্টিতে এবার কপাল পুড়েছে তামাক চাষীদের। অধিক লাভের আশায় তামাক চাষ করে শেষ সম্বল হারিয়ে দিশেহারা অনেক কৃষক। উপজেলার করতোয়া, কাটাখালি, বাঙালি নদী তীরবর্তী এলাকায় প্রতিবছর তামাকের চাষ করা হয়। অধিক লাভের আশায় ইরি বোরো চাষের আগেই সাপমারা, কাটাবাড়ী, দরবস্ত, ফুলবাড়ী, তালুককানুপুর, নাকাই, হরিরামপুর মহিমাগঞ্জ, শালমারা, রাখালবুরুজ ইউনিয়নে প্রতিবছরই চাষ করা হয় তামাকের।

এবার তামাক চাষের আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবং তামাক কোম্পানির নানা ধরণের আশ্বাস এসব এলাকার বিস্তৃর্ণ এলাকায় তামাকের চাষ করা হয়। কিন্তু হঠাৎ বৈশাখ মাসের শুরুতেই এসব এলাকায় দফায় দফায় প্রচুর পরিমাণে শিলা বৃষ্টি সাথে দমকা বাতাসে তামাকের ব্যাপক ক্ষতি হয়। চাষিরা জানায় ঘরে তোলার মুখেই আবহাওয়ার এই বিরুপ আচরণে তারা ক্ষতির মুখে পরে। জমি থেকে তামাক তোলার পর রোদে শুকানো থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে তামাক ঘরে তোলা হয়।

চৈত্র মাসের শেষ দিক থেকে তামাক ঘরে তোলার কাজ চলছিল। যে কারণে জমি ছাড়াও ঘরের চালে, বাড়ী, বাড়ী ও বাড়ীর পার্শ্ববর্তী স্থানে ও মাঠে তামাক পাতা শুকানোর কাজ চলছিল। কিন্তু হঠাৎ শিলা বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে তামাক পাতার ভিজে যাওয়া সহ নানা ভাবে ব্যপক ক্ষতির মুখে পরে। এখন তামাক কোম্পানি গুলিও এই তামাক পাতা নিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তারা দিশেহারা হয়ে পরেছে। যে কারণে আসল টাকা না পাওয়া তামাক চাষ করে পুরোটাই লোকসানের মুখে পরেছে। উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের গোশাইপুর গ্রামের মোজ্জাফর হোসেন জানান, এবার চার বিঘা জমিতে তামাক চাষ করতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যায় হয়েছিল। তামাক সুষ্ঠুভাবে ঘরে তুলতে পারলে এবং কোম্পানির কাছে দিতে পারলে ২ লক্ষ টাকা আয় হতো। কিন্তু শিলা বৃষ্টি ও অকাল বৃষ্টিতে তার সে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।

একই ইউনিয়নের সাতানা বালুয়া গ্রামের হেলাল মিয়া জানান এই বৃষ্টির কারণে তারও প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন কোম্পানি গুলোর জন্য ও লাভের আশায় ঝুঁকি নিয়ে তামাক চাষ করে ক্ষতির শিকার হলাম। কোম্পানির উচিত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে তারা কখনই তামাক চাষে উদ্বুদ্ধ করেনা। বরং ধান, ভ’ট্টা, ও নানা সবজি চাষে তারা সরকারি প্রণোদনা দিয়ে থাকে। কৃষকরা জানান অধিক লাভের আশায় প্রতি বছরই তামাক করা হয়। এবছরও প্রায় ৩শ একর জমিতে তামাক চাষ হয়েছিল। গোপাল মোহন্ত

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad