• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ২৯-১২-২০২২, সময়ঃ দুপুর ০২:৩০
  • ১৬১ বার দেখা হয়েছে

চিলমারীতে কনকন ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন

চিলমারীতে কনকন ঠান্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন

চিলমারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি ►

উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের চিলমারীতে জেঁকে বসেছে শীত। গত কয়েক দিন থেকে  শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ফুটপাতে শীতের কাপড় ক্রয়ের জন্য ভিড় জমাচ্ছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে এলাকা ঢাকা থাকছে। দুপুরের সুর্যের দেখা মিললেও তাও আবার রোদের তাপমাত্রা খুবই কম। বিশেষ করে পাউবো বাঁধে ও চরাঞ্চলের লোকজন অর্থাভাবে শীতের কাপড় কিনতে না পেরে অতি কষ্টে দিনাতি পাত করছে।

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার বলছে, আজ বৃহস্পতিবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকড করা হয়েছে। খেটে খাওয়া মানুষ ঠান্ডা বেশী হওয়ার কারনে কাজে যেতে পারছেন না। এদিকে,  বৃদ্ধ ও শিশুরা ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে,  গত সাত দিনে শীতজনিত রোগে শিশুসহ ৪৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, শীতের কারণে বর্তমানে রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। এছাড়াও ঠান্ডা বৃদ্ধি পেলে রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানান এই কর্মকর্তা। 

শরিফেরহাটের কবিরুল ইসলাম (৬০) জানান, শীত বেশি হওয়ায় অর্থাভাবে গরম কাপড় কিনতে না পারায় পরিবার পরিজন নিয়ে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছি। থানাহাট ইউনিয়নে থানাহাট বাজারের পুরান কাপড় বিক্রেতা রেজাউল করিম বলছেন, শীতের কারনে গরম কাপড় বেচা-কেনা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই ইউনিয়নের গাবের তল এলাকার ট্রাক্টর শ্রমিক মোকছেদ মিয়া জানান, পুরাতন কাপড় কিনে কোন রকমে শীত নিবারনের চেষ্টা করছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান  বলেন, চিলমারী উপজেলায় এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৫ শত কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা  মানুষের মাঝে ক্রমান্বয়ে বিতরন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়