• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ১৯-১১-২০২২, সময়ঃ সকাল ০৯:২৯
  • ৬৯ বার দেখা হয়েছে

পেঁপের চাষ করেই বছরে ১০ লাখ টাকা আয়

পেঁপের চাষ করেই বছরে ১০ লাখ টাকা আয়

দিনাজপুর প্রতিনিধি ►

দিনাজপুর ঘোড়াঘাটের এক সময় লালমাটি ভেবে অনাবাদি হলেও সেই অনাবাদি জমিতেই চাষাবাদ হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন পেঁপে বাগানে। অনেক বেকার যুবকেরা পেঁপের চাষাবাদ করে স্বাবলম্ভি হয়েছেন স্বল্প সময়ের অল্প পুঁজিতেই পেঁপের বাম্পার ফলনে আগ্রহ বাড়ছে অন্যদের। সাড়িবন্ধ গাছে ঝুলে আছে পেঁপে।  

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার নিতাইশা মোড়ে গড়ে উঠেছে কয়েক বিঘা জমিতে পেঁপে বাগান। দিনাজপুর- গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত করা সবার নজর কারছে এই বাগান।

স্থানীয় যুবক বদরুল আলম বুলু ও নাজিমুদ্দিন এই পেঁপের চাষ করেছেন। বাগানটিতে কর্মসংস্থান হয়েছে দুজন নিয়মিত শ্রমিকের। প্রায় ৪ বছর আগে নিজ বাড়িতে ছোট পরিসরে রেডলেডি জাতের পেঁপে চাষ করে সফলতা পায় বদরুল আলম বুলু। সেই সফলতার অনুপ্রেরণায় নাজিমুদ্দিন নামের অন্যজনকে সাথে নিয়ে টপলেডি জাতের পেঁপে চাষ করে তারা। এই পেঁপে চাষের জন্য ৪০ হাজার টাকা মূল্যে ২ বছরের জন্য একখন্ড জমি লিজ নেন তারা। পেঁপে বাগানে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় সাড়ে ৭‘শ পেঁপের গাছ আছে বাগানটিতে। প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় ধরে আছে বিভিন্ন সাইজের পেঁপে। কিছু পেঁপে হালকা হলুদ বর্ণ হয়েছে। তবে অধিকাংশ পেঁপে গাঢ় সবুজ অবস্থায় ঝুঁলে আছে। হলুদ বর্ণ ধারণ করা পেঁপে গুলো গাছ থেকে সংগ্রহ করছে দুজন শ্রমিক। গাছ গুলোতে সর্বোচ্চ ২ কেজি ওজনের পেঁপে ধরে আছে।

এসব পেঁপে যাচ্ছে ঘোড়াঘাট সহ আশপাশের উপজেলার ফলের দোকানগুলোতে।
এদিকে ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইখলাছ হোসেন সরকার বলেন, ‘ঘোড়াঘাটের আবহাওয়া ও মাটি বিভিন্ন জাতের পেঁপে চাষের জন্য বেশ উপযোগী। বর্তমানে এই উপজেলায় ২ হেক্টর জমিতে পেঁপের চাষ হচ্ছে। পেঁপের তেমন কোন রোগবালাই নেই। তবে বেশিভাগ ক্ষেত্রে পেঁপে মিলিবাগ রোগে আক্রান্ত হয়। নিয়মিত এই রোগের প্রতিরোধক কিটনাশক স্পে করলে মিলিবাগ থেকে পেঁপেকে রক্ষা করা সম্ভব। আমরা পেঁপে চাষীদেরকে নানা ভাবে পরামর্শ ও সহযোগীতা দিয়ে যাচ্ছি। 

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়