• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ৩-১১-২০২২, সময়ঃ বিকাল ০৫:১৩
  • ৯৯ বার দেখা হয়েছে

ফুলবাড়ীতে কমলার ভালো ফলনে খুশি চাষি

ফুলবাড়ীতে কমলার ভালো ফলনে খুশি চাষি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ►

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কৃষক আবু বকর সিদ্দিক দার্জিলিংয়ের সাদকি জাতের কমলা চাষ করে সফল হয়েছেন। তার এ সফলতায় এলাকার অনেকেই কমলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

উত্তরাঞ্চলে কোনও শিল্প কলকারখানা না থাকায় এ এলাকার বেশিরভাগ মানুষ কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্ভর করে। ফুলবাড়ী উপজেলার বেশিরভাগ কৃষক যখন ধান চাষাবাদ করে লাভ লোকসানের হিসাব কষতে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের সুজানেরকুটি গ্রামের কৃষক আবু বকর সিদ্দিক দার্জিলিং এর সাদকি জাতের কমলা চাষ করে সফল হয়েছেন। মাত্র ২০ শতাংশ জমিতে কমলা চাষে কপাল খুলেছে তার।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বাগান ও বাড়ির আঙিনায় থোকা থোকা কাঁচা-পাকা কমলা ঝুলছে। বিভিন্ন আকারের কমলার ভারে নুয়ে পড়া ডালগুলো বাঁশের ঠেকা দিয়ে উঁচু করে রাখা হয়েছে। কমলার এমন ফলন দেখে খুশি চাষি আবু বকর সিদ্দিক।

আবু বকর সিদ্দিক জানান, ২০১৬ সালে তিনি দার্জিলিংয়ের সাদকি জাতের কমলা চাষ শুরু করেন। তিনি ও তার ছোট ভাই আবুল হোসেন বাজার থেকে চারটি কমলার চারা গাছ কিনে বাড়ির আঙিনায় রোপণ করেন। তিন বছর পর গাছগুলোতে ১০থেকে ৭০টি কমলা ধরে। গাছের পাঁকা কমলা দেখে প্রতিবেশীরা অবাক হয়ে যান। এরপর ২০১৯ সাল থেকে তিনি কমলার বাগান শুরু করেন। তিনি যশোর জেলার মহেশপুর গ্রামের আশরাফুল ইসলামের কাছ থেকে দার্জিলিং এর সাদকি জাতের কমলার চারা সংগ্রহ করেন। বাড়ির পাশের ২৮ শতাংশ জমিতে ১০ ফুট দূরত্বে ১৩৫টি কমলার চারা করেন। তিনি কমলা বাগানে সামান্য রাসায়নিক সারের সাথে প্রচুর পরিমাণে জৈব সার প্রয়োগ করেন। ২৮ মাস পর ফুল আসা শুরু হয়।

বর্তমানে কমলা বিক্রির উপযোগী হলেও এখন পর্যন্ত বিক্রি করেননি। ভালোভাবে পাকিয়ে কমলার বীজ সংগ্রহ করে চারা উৎপাদন করবেন। স্থানীয় বাজারে প্রতিটি চারা ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়। চারা বিক্রি করতে পারলে প্রচুর টাকা আয় হবে। তার বাগানে উৎপাদিত কমলা রঙ, রস, স্বাদ ও গন্ধে অতুলনীয় বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়