• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ১৪-১২-২০২২, সময়ঃ বিকাল ০৫:৫৭
  • ৯৭ বার দেখা হয়েছে

লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি অভিভাবক মহলের

লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি অভিভাবক মহলের

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি ►

গত তিন বছর ধরে করোনার অজুহাত দেখিয়ে মাধ্যমিক স্তরের সরকারি ও বেসরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যষ্ঠ শ্রেণি হতে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করেছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। সে কারণে অধিক মেধা সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা নামি দামী স্কুল ও কলেজ সমুহে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে না। যার জন্য জাতি দিন দিন মেধাশূন্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শতাধিক অভিভাবক এ প্রক্রিয়াকে বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়ার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার উপজেলার বেশ কিছু সংখ্যক কেজি স্কলের শিক্ষক ও অভিভাবকরা এ প্রক্রিয়াকে মেধাশূন্য আখ্যা দিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন।
পৌর শহরের অভিভাবক মোরশেদা বেগম জানান, তার ছেলে উপজেলার হাজি দবির উদ্দিন কেজি স্কুলের একজন শিক্ষার্থী।

অধিক মেধা সম্পন্ন না হলেও ভর্তিযুদ্ধে হয় তো লড়াই করত। কিন্তু পরিতাপের বিষয় পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  ভর্তির জন্য আবেদন করে একটিতেও লটারিতে আসে নাই। তিনি বলেন উপজেলায় কমপক্ষে অধিক মেধা সম্পন্ন ১০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ হতে বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি ভর্তির লটারি প্রক্রিয়াকে মেধাশূন্য এবং ভুল প্রক্রিয়া বলে দাবি করেছেন। তিনি আরও বলেন একজন শিক্ষার্থী একই বা একাধিক প্রতিষ্ঠানে একাধিক বার ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তাহলে এটি সঠিক প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে না।

শিক্ষার্থী লাবিব সরকার জানান, তিনি ভর্তি পরীক্ষা দিলে অবশ্যই সুযোগ পেতেন। এখন লটারির মাধ্যমে যারা নামি দামী সরকারি বেসরকারি স্কুলে ভর্তি সুযোগ পেয়েছেন তারা লেখাপড়া সমাপ্ত করতে পারবেন না। সরকারি স্কুলে সুযোগ না পাওয়ায় সে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে।

হাজি দবির উদ্দিন কেজি স্কুলের পরিচালক আজাদুল করিম নিপু জানান, প্রতিবছর তার স্কুল থেকে কমপক্ষে ৫০ জন অধিক মেধা সম্পন্ন শিক্ষার্থী সরকারি  স্কুলে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পেত। লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা চালু হওয়ায় ১০ হতে ১৫ জন কম মেধা সম্পন্ন শিক্ষার্থী সুযোগ পাচ্ছে। এতে করে জাতি দিন দিন মেধাশূন্য হয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, করোনার ধকল কাটিয়ে ইতিমধ্যে সকল পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। সেই দিক বিবেচনা করে ভর্তি পরীক্ষা চালু করার দাবি জানান তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহমুদ হোসেন মন্ডল জানান, সরকারি নির্দেশনার বাইরে তাদের করার কিছুই নাই। তবে এই প্রক্রিয়ার পরিবর্তণ প্রয়োজন। কারন এতে করে অধিক মেধা সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা নামি দামী প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ হবে বঞ্চিত হচ্ছে। 
 

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়