• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ১৯-১০-২০২২, সময়ঃ সকাল ০৮:৩৭
  • ১৪২ বার দেখা হয়েছে

সাঘাটায় ভারী যানবাহন চলাচলে বেহাল সড়ক,জনদুর্ভোগ চরমে

সাঘাটায় ভারী যানবাহন চলাচলে বেহাল সড়ক,জনদুর্ভোগ চরমে

সাঘাটা প্রতিনিধি ►

সাঘাটায় আঞ্চলিক মহাসড়কের ১ কিলোমিটারে অতিরিক্ত পাথর ও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করায় সড়কের এখন বেহাল অবস্থা। বিভিন্ন স্থানে দেবে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে সড়কে। এতে জনসাধারণের ভোগান্তির পাশাপাশি দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটছে। সাঘাটা উপজেলার যমুনা নদী রক্ষায় সিসি ব্লক  নির্মাণ কাজের পাথর বহনকারী ট্রাক যাতায়াত করায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি গাইবান্ধা সড়ক ও জনপথ (সওজ) কর্তৃপক্ষের।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সাঘাটার ঝাড়াবর্ষা তিন মাথা নামক স্থান হতে ডাকবাংলা চার মাথা ও বারকোনা হয়ে জুমারবাড়ী পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তার এক পাশে দেবে গিয়ে বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রায়  প্রতিদিনই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে এ সড়কে। বিশেষ করে সাঘাটার ঝাড়াবর্ষা তিন মাথা নামক স্থান হতে ডাকবালা চার মাথা পর্যন্ত ১ কি:মি: সড়কে সবচেয়ে বেশী বেহাল অবস্থা দেখা গেছে।

এসড়কে গত শনিবার বিকেলে পাগলাখালী নামক স্থানে বাসকে সাইড দিতে গিয়ে গরুবোঝাই ভটভটি উল্টে গেছে। এতে ৩ জন গরু ব্যবসায়ী ও ৬টি গরু গুরুতর আহত হয়েছে। আহত গরুব্যবসায়ীকে সাথে সাথে বগুড়া জিাউর রহমান মেডিকেলে নিয়ে ভর্তি করা হয় এবং আহত ৬টি গরু ঘটনাস্থলেই মারা তরিঘড়ি করে জবাই করা হয়।

গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাঘাটার ঝাড়াবর্ষা তিন মাথা হতে ডাকবাংলা-বারকোনা হয়ে জুমার বাড়ী পর্যন্ত ১২ ফুট প্রস্ত সড়কটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধিনে ছিলো, কিছু দিন আগে সড়কটি সড়ক ও জনপদের অধিনে নেয়া হয়েছে। কিন্তু উন্নয়ন কাজ এখনো শুরু করা হয়নি। তবে একবছরের মধ্যেই এসড়কের কাজ হবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

এলাকাবাসির অভিযোগ এসড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ততম। রাতদিন এই সড়কে অসংখ্য বড় ও ভারীযান বাহন চলাচল করে । সড়কের প্রশস্ততা কম হওয়ার গাড়ী চলাচলের সময় বিপরীত দিকে থেকে আসা গাড়ীকে সাইড দিতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার ঘটছে। এতে মানুষ ও গরু ছাগল হতাহত হচ্ছে।   

গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদের (সওজের) নির্বাহী প্রকৌশলী ফিরোজ আক্তারের সাথে কথা হলে তিনি জানান, এই আঞ্চলিক মহাসড়কে ছয় চাকার পণ্যবাহী ট্রাকের সর্বোচ্চ ধারণমতা (গাড়ির ওজনসহ) ১৫ টন এবং ১০ চাকার ট্রাকের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ২২ টন। সেখানে সড়কে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৬০ টন ওজনের ট্রাক চলাচল করে। এসব ট্রাকের বেশির ভাগই পাথর বহন করে । এ ধরনের অতিরিক্ত পাথরবাহী ট্রক চলাচল করায় সড়কের বিভিন্ন অংশে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এক বছরের মধ্যেই এই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের উন্নয়ন কাজ করা হবে। 
 

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়