• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ২২-১০-২০২২, সময়ঃ দুপুর ০২:০৯
  • ৭৪ বার দেখা হয়েছে

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধের দাবীতে গাইবান্ধায় সকাল সন্ধ্যা গনঅনশন

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধের দাবীতে গাইবান্ধায় সকাল সন্ধ্যা গনঅনশন

নিজস্ব প্রতিবেদক ►

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা চিরতরে বন্ধসহ সরকারি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবীতে সারাদেশের ন্যায় গাইবান্ধায় সকাল সন্ধ্যা গনঅনশন কর্মসুচি পালিত হয়েছে।

ধর্মীয় নিরপে রাষ্ট্র নয়, ধর্মনিরপে রাষ্ট্র চাই, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার" এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে ল্য রেখে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার আয়োজনে ২২ অক্টোবর শনিবার গাইবান্ধা পৌরপার্কের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে গনঅনশন কর্মসূচি পালিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খুষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি রনজিত বক্সী সূর্য্য। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল সাহা।

সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা রবীন্দ্রনাথ সরকার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অশোক সরকার, প্রশিণ বিষয়ক সম্পাদক কমলেশ বর্মন, আদিবাসী বিষয়ক সম্পাদক গৌড় পাহাড়ি, জেলা নেতা কামনাশীষ দেব বুলেট, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি অধ্য পরেশ চন্দ্র সরকার, জেলা পুরোহিত কল্যান সংসদের সভাপতি শংকর চক্রবর্তী, মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক শাহজাদা, জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড: সিরাজুল ইসলাম বাবু, বিশিষ্ট সংগঠক গোলাপ মারুফ মনা,বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন সরকার, গাইবান্ধা জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদ সহ-সভাপতি হাফিজার রহমান, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সজল সরকার, জয়পুরহাট হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পুজা উদযাপন পরিষদ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার সাহা, সদর উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি সুজন প্রসাদ, পুজা উদযাপন পরিষদ পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক রাকেশ কুমার দে বাপ্পী, ফুলছড়ি উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি অশ্বিনী কুমার বর্মন, সুন্দরগঞ্জ কঞ্চিবাড়ী পুজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি দূর্লভ চন্দ্র মন্ডল, যুব ছাত্র বিষয়ক গাইবান্ধা জেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ চাকী, জেলা নেতা সুমন চক্রবর্তী, অভিজিৎ দাস, বিলাশ চন্দ্র মহন্ত শুভ, মানিক বর্মন প্রমুখ। বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদ পপলাশবাড়ী উপজেলার সাধারণ সম্পাদক দীপ্ত চৌধুরী, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সভাপতি শীতল সরকার, সাদুল্লাপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক জয় সরকারসহ অনেকে।

শেষে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা রবীন্দ্রনাথ সরকার অনশনকারীদের শরবত পানের মধ্য দিয়ে অনশন ভাংগান।

বক্তারা ২০১৮ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে সরকারি দলের প্রতিশ্রুতিসমূহ ৭দফা আদায় করে বলেন- সংখ্যালঘু সুরা আইন প্রণয়ন করতে হবে। বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন করতে হবে। দেবোত্তর সম্পত্তি সংরন আইন প্রণয়ন করতে হবে। জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন করতে হবে। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যপর্ণ আইন যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে। পাবর্ত্য শান্তিচুক্তি ও পাবর্ত্য ভূমি কমিশন আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন করতে হবে। সমতলের আদিবাসীদের পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়