• মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ৩১-১-২০২৪, সময়ঃ রাত ০৮:৪৯
  • ৪৭ বার দেখা হয়েছে

হাঁসুয়া দিয়ে প্রথমে মামাতো বোন, পরে মামি ও মামাকে খুন করেন রাজীব

হাঁসুয়া দিয়ে প্রথমে মামাতো বোন, পরে মামি ও মামাকে খুন করেন রাজীব

মাধুকর ডেস্ক►

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ট্রিপল মার্ডারের সঙ্গে জড়িত থাকার ঘটনায় রাজিব ভৌমিক (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে তাড়াশ উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার কর হয়।

আজ বুধবার বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার মো. আরিফুর রহমান মণ্ডল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে মামা-ভাগনের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। সেই দ্বন্দ্বের জেরে রাজীব এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। প্রথমে রাজীব হাঁসুয়া দিয়ে মামাতো বোন, পরে মামি ও সবশেষে মামাকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

এদিকে আসামি রাজিব ভৌমিক সিরাজগঞ্জ জেষ্ঠ বিচারকি হাকিম আজিজুর রহমানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সিরাজগঞ্জ ডিবির ওসি ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

বুধবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরও বলেন, বাবা মারা যাওয়ার পর রাজিব তার মামা বিকাশের সঙ্গে একত্রে ব্যবসা শুরু করেন। খাদ্যশস্য কিনতে মামা বিকাশ ভাগনে রাজিবকে ২০ লাখ টাকা ধার দেন। পরে রাজিব মামাকে দফায় দফায় ২৬ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু মামা মূলধনের বিপরীতে ৩৫ লাখ টাকা দাবি করেন। দাবি করা টাকা পরিশোধে ভাগনেকে চাপ দেন মামা। টাকা পরিশোধ না করায় মামা বিকাশ প্রথমে ভাগনে ও পরে বোন প্রমিলা রানী সাহাকে গালমন্দ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হন ভাগনে রাজীব। প্রতিশোধ নিতেই মামা-মামি ও মামাতো বোনকে খুনের পরিকল্পনা করেন তিনি। শনিবার টাকা দেওয়ার কথা বলে রাজিব মামার বাড়িতে আসেন। পরে হাঁসুয়া দিয়ে প্রথমে মামাতো বোন, এরপর মামি ও শেষে মামাকে খুন করেন তিনি। রাজিব এরই মধ্যে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

তাড়াশে একটি আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাট বাসা থেকে স্কুলপড়ুয়া মেয়েসহ স্বামী-স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার রাত ২টার দিকে তালাবদ্ধ ওই ফ্ল্যাট থেকে বিকাশ সরকার, স্ত্রী স্বর্ণা সরকার ও তদের মেয়ে তুষি সরকারের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন


এ জাতীয় আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়