Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ২১ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

পিআইডি, রংপুর ►
নীলফামারীতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান)-এর উদ্যোগে ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১লা অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, পরিবর্তিত জীবনযাত্রা ও ব্যস্ততার কারণে দ্রুত প্রস্তুত করা ও রেস্টুরেন্টের খাবারের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। এ অবস্থায় খাবারের উপকরণ, রান্নার পদ্ধতি ও তেল ব্যবহারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সময়ের অভাবে অনেকেই নিজের খাবার নিজে প্রস্তুত করতে পারেন না। এজন্য ব্যস্ততার মধ্যেও স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিয়ে নিজের ও পরিবারের সুস্থতার প্রতি যত্নশীল হতে হবে।

সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ বারটানের প্রধান কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিরাপদ ও সুষম খাদ্য গ্রহণের পাশাপাশি খাদ্যদ্রব্য পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। তিনি বলেন, রান্নার আগে খাদ্যদ্রব্য পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু বেশি খাবার গ্রহণ নয়, খাবারের বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানও বিবেচনায় নিতে হবে। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় রংপুরের পীরগঞ্জে বারটানের আঞ্চলিক কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান ড. মো. ছাদেকুল ইসলাম বলেন, সুস্থ জীবনযাপনে খাদ্য ও পুষ্টির গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করতে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে বৈচিত্র্য আনতে হবে। স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ খাতে আরও গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।’ শিশুর মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে পুষ্টির অবদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিশুর জীবনের প্রাথমিক পর্যায়েই মস্তিষ্কের বিকাশের বড়ো অংশ সম্পন্ন হয়। এই কারনে এসময়ে শিশুর পুষ্টি, যত্ন ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। শিশুর প্রাথমিক বিকাশে বিনিয়োগ ভবিষ্যৎ শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন নীলফামারীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোছাঃ হোমায়রা মন্ডল, সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ৫০ জন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad