Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • তারিখঃ ১১-১-২০২৬, সময়ঃ সকাল ১১:০৭
  • ৫৫ বার দেখা হয়েছে

ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন সুন্দরগঞ্জের কৃষকেরা

ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন সুন্দরগঞ্জের কৃষকেরা

ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন সুন্দরগঞ্জের কৃষকেরা—ছবি: মাধুকর।

তিস্তা আকন্দ, সুন্দরগঞ্জ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দিন দিন ভুট্টা চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। তুলনামূলক কম খরচ, স্বল্প সময়ে ফলন এবং নিশ্চিত বাজারমূল্যের কারণে ধানের বিকল্প হিসেবে ভুট্টাকে বেছে নিচ্ছেন অনেকেই। ফলে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠজুড়ে এখন চোখে পড়ছে সবুজ ভুট্টাক্ষেত।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, একটি পৌরসভাসহ ১৫টি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে ৪ হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ করা হয়েছে। গত বছর এই অঞ্চলে আবাদ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে। 

বছর দশক আগে তারাপুর চরের মো. শফিকুল ইসলাম ছয় বিঘা জমি তিস্তা গিলে খায়। তিনি চলে যান উপজেলার কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নে। উজান থেকে নেমে আসা পলি জমে তার জমিগুলো এখন আবাদী জমিতে রুপ নিয়েছে। গত বছর তিনি চার বিঘা জমিতে ভূট্টার আবাদ করে ১ লাখ টাকা লাভ করেছেন। চলতি মৌসুমে ছয় বিঘিা জমিতে ভূট্টা চাষ করেছেন। এ বছরেও দেড়লাখ টাকা লাভের আশা করছেন।

হরিপুর চরের মো. আব্দুর রাজ্জাক মিয়া বলেন. গত পাঁচ বছর ধরে ভূট্টার আবাদ করে আসছেন তিনি। অন্য ফসলের চেয়ে ভূট্টার আবাদে কম পরিশ্রম করতে হয়। তাছাড়া সার ও পানি বেশি দেয়া লাগে না। একবিঘা জমিতে ঘরচ হয় ১৬ হতে ১৭ হাজার। বিঘা প্রতি ফলন আসে ৩৫ হতে ৪০ মন। মৌসুমের সময় প্রতিমন ভূট্টা বিক্রি হয় হাজার টাকায়।  এতে দেখা যায় বিঘা প্রতি লাভ হয় ২০ হতে ২৫ হাজার টাকা।

হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোজহারুল ইসলাম বলেন, চরের কৃষরা একবার চাষাবাদ করে গোটা বছরের খাবার যোগার করে থাকেন। চরের জমিতে নানা জাতের ফসল খুব ভাল হয়। নদী খনন ও ড্রেজিং না করার কারনে চরগুলো এখন আবাদী জমিতে রুপ নিয়েছে। 

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশিদুল কবির বলেন, পলি জমে থাকায় চরাঞ্চলের মাটি অনেক উর্বর। রাসায়নিক সার ছাড়াই যে ফসলের ফলন ভালো হচ্ছে। বিশেষ করে ভূট্টা, আলু, কুমড়া, বাদাম, পেঁয়াজ, মরিচ, রসুন, সরিষা, তিল, তিশিসহ শাকসবজি এবং নানা জাতের ধান বেশি চাষ হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad