Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৪ ঘন্টা আগে
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

বিদ্যুতের খুঁটিতে ঝুলে গেছে ড্রেন নিমার্ণ কাজ

বিদ্যুতের খুঁটিতে ঝুলে গেছে ড্রেন নিমার্ণ কাজ

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি ►

দীর্ঘ দেড় বছরেরও বিদ্যুতের খুঁটি না সরানোর কারনে ঝুলে গেছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌর সভার ড্রেন নির্মাণ কাজ। অবশেষে ঠিকাদার খুঁটির জায়গা বাদে ড্রেনের নির্মাণ কাজ করছেন। পৌরবাসির দাবি বর্ষাকালের আগে ড্রেনের কাজ সম্পন্ন না হলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে পৌর শহরে। এছাড়া নির্মিত ড্রেনের ম্যানহোলের ঢাকনা না দেয়ায় চরম বিপাকে পৌরবাসি। 

স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে পৌরসভার পূর্ববাইপাস মোড় হতে সোনালী ব্যাংক, বাহিরগোলা মোড় হতে কলেজ মোড়, পৌরভবনের দক্ষিন মোড় হতে কলেজ পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ এবং সদর মাদ্রাসা সড়কে এবং মীরগঞ্জে ড্রেন বা নালা নির্মাণ কাজ করছেন। এতে নির্মাণ ব্যয় প্রায় ২০ কোটি টাকা। গাইবান্ধার হক্কানী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নির্মাণ কাজ করছেন সুন্দরগঞ্জের সোহেল রানা।
মীরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী মো.আতাউর রহমান বলেন, মীরগঞ্জ ডাকবাংলো ব্রিজ হতে পাটনী পাড়া পর্যন্ত বিভিন্ন সড়কের ধারে ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে। কিন্তু বিদ্যুতের খুঁটির কারনে একটি ড্রেনের কাজও সম্পন্ন হয়নি। খুঁটির জায়গা বাদ দিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ড্রেন নির্মাণ করছেন। বর্ষাকালের আগে ড্রেনের কাজ সম্পন্ন না হয়, তা হলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে। এতে পৌরবাসির অনেক কষ্ট হবে। তিনি দ্রুত বিদ্যুতের খুঁটি সরিয়ে ড্রেনের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানান।

হাজি দবির উদ্দিন কিন্টার গার্ডেনের পরিচালক মো. আজাদুল করিম নিপু বলেন, গাছ ও খুঁটির কারনে ঝুলে গেছে, ড্রেন নির্মাণ কাজ। সুন্দরগঞ্জ বাজারের কসাইখান এবং মাছ হাটীর নিস্কাশন হতে না পারায় দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ড্রেনের গর্তের কারনে ঝুকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষার্থীসহ পৌরবাসি। কলেজ পাড়ার স্থানীয় ব্যবসায়ী ইলিয়াস ফকির বলেন, আজ থেকে ৫ বছর আগে পৌর ভবনের সামনের এই সড়কের পাশে পানির ড্রেন বা নালা ছিল না। গত দুই বছর আগে সড়কের পূর্ব পাশে ড্রেন নির্মাণ হয়েছে। সে কারনে প্রায় সাড়ে ৩ ফুট সড়কটি কমে গেছে। 
ঠিকাদার সোহেল রানা বলেন, খুঁটি সরানোর দায়িত্ব পৌরসভার। খুঁটি সরাতে বিলম্ব হওয়ায় খুঁটির জায়গা বাদে ড্রেনের কাজ করা হয়েছে। খুঁটি সরানোর পর বাকী কাজ করা হবে। 

এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও পৌর প্রশাসক ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, খুঁটি সরানোর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে আবেদন দেয়া হয়েছে। উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, বিদ্যুতের খুটি সরানোর জন্য ফি জমা দিলে খুঁটি সরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad