
সাঘাটা প্রতিনিধি ►
দেশে মশলার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় শুরু হয়েছে বারি রসুন-৪ জাতের চাষ। উপজেলার পদুমশহর ইউনিয়নের চকদাতেয়া এলাকার এক কৃষক ১০ শতক জমিতে এ জাতের রসুনের প্রদর্শনী করেছেন, যা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, মশলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষককে ২০ কেজি বীজ ও প্রয়োজনীয় সার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ ও নিয়মিত পরিচর্যার ফলে বর্তমানে রসুন গাছ বেশ সবল ও সতেজ রয়েছে। ক্ষেতজুড়ে সবুজ পাতার সমারোহ দেখে আশাবাদী কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা। উপজেলার চকদাতিয়া গ্রামের কৃষক লিমন সরকার জানান, সঠিক দিকনির্দেশনা ও মানসম্মত বীজ পাওয়ায় তিনি এ বছর পরীক্ষামূলকভাবে ১০ শতক জমিতে বারি রসুন-৪ আবাদ করেছেন। ফলন ভালো হলে আগামী মৌসুমে আবাদ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে তার।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, এবার ৩২ হেক্টর জমিতে রসুন চাষ করা হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষামূলক বারি রসুন-৪ -এর ৫ টি প্রদর্শনী করা হয়েছে, একটি রোগবালাই সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল জাত। বাজারে এর চাহিদা ভালো থাকায় কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেলে লাভবান হবেন। একই সঙ্গে দেশীয় উৎপাদন বাড়লে আমদানি নির্ভরতা কমবে।
সাম্প্রতিক জলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আতিকুল ইসলাম, জেলা কৃষি প্রশিক্ষক কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা ওয়ারিউর রহমান সহ কৃষি কর্মকর্তাগণ প্রদর্শনী মাঠ পরিদর্শন করে আশানুরূপ ফলনের আশা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা এ সময় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠে গিয়ে নিয়মিত কৃষকের মাঠ পরিদর্শন ও কারিগরি পরামর্শ দেওয়ার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্টদের আশা, সফল প্রদর্শনী অন্য কৃষকদের মশলা চাষে উদ্বুদ্ধ করবে।