Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৩ ঘন্টা আগে
  • ২৩ বার দেখা হয়েছে

গাইবান্ধায় শেষ মুর্হুতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

গাইবান্ধায় শেষ মুর্হুতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

নিজস্ব প্রতিবেদক ►

গাইবান্ধা জেলা শহরে পবিত্র ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে শহরে ঈদের কেনাকাটার আমেজ বেড়েছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে দোকানগুলোতে দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা ও আকর্ষণীয় ডিসপ্লে করা হয়েছে, যা পথচারীদেরও দৃষ্টি কাড়ছে। শহরের কাঁচারী বাজার, সালিমার সুপার মার্কেট, পৌর মার্কেট, ইসলাম প্লাজা সহ বেশ কিছু মার্কেটগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতাদের আনাগোনা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শহরের বিভিন্ন বিপণিবিতান ও ফুটপাতের দোকানগুলোতে ঈদ উপলক্ষে নতুন নতুন পোশাক, শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, শিশুদের পোশাক, কসমেটিক্স ও জুতার নানা সংগ্রহ সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

সদর উপজেলার বল্লমঝাড় থেকে আসা শাকিল মিয়া বলেন, গত বছর যে শার্ট কিনলাম ৪০০ টাকা দিয়ে সে শার্ট এবার ৬০০ টাকা। আর যে প্যান্ট গত বার কিনেছিলাম ৬০০ টাকা দিয়ে সে প্যান্টের দাম ৮০০ টাকা। দেখা যাচ্ছে সব কিছুতেই ২০০-৩০০ টাকা করে দাম বেশি। এবার ক্রমাগত সবকিছুরই দাম বেশি বেশি নিচ্ছে দোকানিরা। সালিমার সুপার মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী বলেন, ১৫ রমজানের পর থেকে ঈদের কেনাকাটা জমতে শুরু করেছে। তবে, এ বছর ড্রেসগুলো দাম তুলনামূলক একটু বেশি পড়ছে। তারপরেও ক্রেতারা তাদের পছন্দ মতো কাপড় ক্রয় করছেন।

ব্যবসায়ীরা জানায়, রমজানের শুরুতে বিক্রি তুলনামূলক কম থাকলেও রমজানের শেষ দশ দিনে এসে বিক্রি ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। ঈদের যত দিন ঘনিয়ে আসবে, ততই ক্রেতাদের ভিড় আরো বাড়বে বলে তারা আশা করছেন। এদিকে ক্রেতারাও বলছেন, ঈদের কেনাকাটা ধীরে ধীরে শুরু করেছেন তারা। শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে অনেকে এখন থেকেই পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রয়োজনীয় পোশাক ও সামগ্রী কিনে নিচ্ছেন।

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন বলেন, ‘ঈদের বাজার নির্বিঘ্ন করতে সকল ধরনের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মার্কেটগুলোর মোড়ে মোড়ে পুলিশ সদস্য রয়েছেন। শহরে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। যে-সব এলাকা বেশি স্পর্শকাতর সেসব জায়গায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় সিসি ক্যামেরার আওতায় মনিটরিং করা হচ্ছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad