Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১৭ ঘন্টা আগে
  • ৮২ বার দেখা হয়েছে

ফুলছড়ির তিন ইউপি চেয়ারম্যান ১০ মাস পর দায়িত্বে ফিরলেন

ফুলছড়ির তিন ইউপি চেয়ারম্যান ১০ মাস পর দায়িত্বে ফিরলেন

ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

দীর্ঘ প্রায় ১০ মাস পর আবারও স্ব স্ব দায়িত্বে ফিরলেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার তিন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। প্রশাসনের এক অফিস আদেশে তাদের সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু, উড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা কামাল পাশা এবং ফুলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজহারুল হান্নান সহ ৬ ইউপি চেয়ারম্যানকে ২০২৫ সালের মে মাসে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে গ্রেফতার করে পুলিশ। 

এসময় উদাখালী ইউপি চেয়ারম্যানও কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। এরপর স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয় এবং স্ব স্ব ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এর কিছুদিন পর আদালত থেকে জামিন লাভ করে দায়িত্ব গ্রহন করেন ফজলুপুর ইউপি চেয়ারম্যান আনছার আলী। 

সম্প্রতি কঞ্চিপাড়া, উড়িয়া, গজারিয়া, ফুলছড়ি ও এরেন্ডাবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যানবৃন্দ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন এবং অপরজন উদাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিন আহমেদও তার কর্মস্থলে ফিরে আসেন। চেয়ারম্যানবৃন্দ কর্মস্থলে এলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব ফিরে দেওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট রেজুলেশন করে দেন। 

গত ৩১ মার্চ গাইবান্ধা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) মুশফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পত্রে কঞ্চিপাড়া, উড়িয়া ও ফুলছড়ি ইউপি চেয়ারম্যানের বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে তিন চেয়ারম্যানকে পুনরায় দায়িত্বে বহাল করে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। অফিস আদেশ জারি হওয়ার পর গত মঙ্গলবার বিকেলে সন্ধ্যার দিকে চেয়ারম্যানরা আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি গ্রহণ করেন। তবে এখনও উদাখালী, গজারিয়া ও এরেন্ডাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দের বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়নি বলে জানা গেছে। 

কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালু বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের সেবা করার সুযোগ ফিরে পেয়ে আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এই সময়ে আমার এলাকার মানুষ আমাকে যেভাবে সমর্থন ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তা আমি কখনো ভুলব না। এখন নতুন উদ্যমে অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো দ্রুত শেষ করতে চাই এবং সবার সহযোগিতা নিয়ে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চাই। 

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্বে ফিরে আসায় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে গতি ফিরবে। দীর্ঘদিন ধরে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ ধীরগতিতে চলছিল, যা এখন দ্রুত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad