Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ৩১ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদে দুই দশক চাকরি! তদন্তে সংশ্লিষ্ট দপ্তর

ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদে দুই দশক চাকরি! তদন্তে সংশ্লিষ্ট দপ্তর

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর নবাবগঞ্জের ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ইতোমধ্যে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার দাউদপুর বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোসা. রেবেকা সুলতানা ২০০৬ সালে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের এক অডিটে তার শিক্ষক নিবন্ধন সনদটি জাল বলে শনাক্ত হয়। পরিদর্শক টুটুল কুমার নাগের দাখিলকৃত প্রতিবেদনে বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হলেও এরপর দীর্ঘ সময়েও দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।    

পরে ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তার নিবন্ধন সনদ যাচাইয়ের জন্য এনটিআরসিএ বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়। এর প্রেক্ষিতে ২৬ সেপ্টেম্বর এনটিআরসিএ জানায়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার সনদটি সঠিক নয় এবং তার নিয়োগ বিধিসম্মত হয়নি। একইসঙ্গে ২০০৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়কালে তিনি যে ১৪ লাখ ৪০ হাজার ৯০০ টাকা সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন, তা সরকারি কোষাগারে ফেরতযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়।    

অভিযুক্ত শিক্ষিকা রেবেকা সুলতানা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি নিয়মিতভাবে নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন এবং সনদও পেয়েছেন। অডিট প্রতিবেদনে তার সনদকে জাল বলা হলেও এর কারণ তিনি অবগত নন। বিষয়টি পরিষ্কার করতে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পুনরায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন বলেও জানান।    বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ফজলুল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে সনদটি জাল বা ভুয়া বলে প্রতীয়মান হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।    

এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান বলেন, অভিযোগটি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীপক কুমার বনিক জানান, বিষয়টি তার জানা থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো কপি তার দপ্তরে পৌঁছেনি। তিনি বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে উল্লেখ করেন।    

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মো. আলাউদ্দীন আল আজাদ বলেন, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad