Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ৬৩ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

সাঘাটায় যমুনা নদী তীর রক্ষা প্রকল্পে দায়সারা কাজ ভাঙ্গন শঙ্কায় নদী তীর মানুষ

সাঘাটায় যমুনা নদী তীর রক্ষা প্রকল্পে দায়সারা কাজ ভাঙ্গন শঙ্কায় নদী তীর মানুষ

জয়নুল আবেদীন, সাঘাটা
গাইবান্ধার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনে ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরে যমুনা নদীর ডান তীরের ভাঙন রোধে সাঘাটার হলদিয়া এলাকায় বিআরই কিলোমিটার ৯৫ দশমিক ৯২৩ থেকে ৯৬ দশমিক ১৭৩ পর্যন্ত প্রায় আড়াইশ মিটার স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ চলমান রয়েছে। হলদিয়া প্যাকেজ নং-১২ এর চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১৭ কোটি ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২১৬ টাকা। সরেজমিনে দেখা যায়, নদীতে পানি বাড়তে থাকায় কাজ দ্রুত শেষ করতে গিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তড়িঘড়ি করে কাজ করছে।

এতে মান বজায় রাখা হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। গোবিন্দপুর এলাকায় প্যাকেজ-১২ ঘুরে দেখা যায়, কোথাও ব্লক পিচিং সম্পন্ন হয়েছে, আবার কোথাও ব্লক তৈরি চলছে। তবে কাজের বিভিন্ন ধাপে অনিয়ম চোখে পড়ার মতো। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্লক পিচিংয়ে ব্যবহৃত অধিকাংশ ব্লকই ক্ষতিগ্রস্ত। নিয়ম অনুযায়ী ব্লকের নিচে ৪ ইঞ্চি পুরুত্বের ১ নম্বর খোয়া ব্যবহারের কথা থাকলেও সেখানে রাবিশ মিশ্রিত নিম্নমানের খোয়া যথাযথভাবে ছাঁকাই না করেই ব্যবহার করা হচ্ছে।

এছাড়া ব্লক তৈরির স্থানে ঢালাই কাজে নিম্নমানের পাথর ও বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হালিম বলেন, এইভাবে যদি কাজ হয়, তাহলে বর্ষায় আবার ভাঙন শুরু হইবো। সরকার এত টাকা দিতেছে, কিন্তু কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না। আরেক বাসিন্দা রহিমা বেগম বলেন, আমরা আতঙ্কে আছি। গত বছরও ভাঙনে ঘরবাড়ি হারাইছি। এখন যদি এই কাজ টেকসই না হয়, তাহলে আবার ক্ষতি হবে।

এ বিষয়ে প্রকল্পের সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার ও শাখা কর্মকর্তা মো. হাসান মিয়া জুয়েলের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও সেটিরও কোনো প্রতিক্রিয়া জানান নি।

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ হলে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট প্যাকেজের দায়িত্বরত শাখা কর্মকর্তাকে পরিদর্শন করতে বলা হয়েছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad