Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

ভিড় বাড়ছে রাজধানীমুখী মানুষের, যানবাহন সংকটে ভোগান্তি

ভিড় বাড়ছে রাজধানীমুখী মানুষের, যানবাহন সংকটে ভোগান্তি

অনলাইন ডেস্ক ►
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে আজ সোমবার খুলছে সরকারি-বেসরকারি অফিস। কর্মদিবস শুরুর আগে গতকাল রবিবার রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস, ট্রেন ও ব্যক্তিগত যানবাহনে ঢাকায় ফেরা মানুষের উপস্থিতি বাড়লেও রাজধানীর প্রবেশমুখ কিংবা মহাসড়কে কোথাও বড় যানজট দেখা যায়নি। গতকাল রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন, যাত্রাবাড়ী, গাবতলী ও সায়েদাবাদ এলাকায় ঢাকামুখো যাত্রীদের মাঝারি উপস্থিতি দেখা যায়। কিছু ট্রেনের বিলম্ব : গতকাল ভোর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একের পর এক ট্রেন পৌঁছে কমলাপুর রেলস্টেশনে। উত্তরবঙ্গের একাধিক ট্রেন আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা বিলম্বে ঢাকায় পৌঁছে।

রংপুর এক্সপ্রেস প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছে। নীলসাগর এক্সপ্রেস, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় এক্সপ্রেস আধাঘণ্টা দেরিতে ঢাকায় ঢোকে। এদিকে নেত্রকোনা, জামালপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আধাঘণ্টা দেরিতে পৌঁছেছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থেকে সপরিবারে ঢাকায় ফেরা আব্দুর রহমান বলেন, ‘বাড়ি থেকে আসতে ইচ্ছা করে না, তার পরও কর্মের খাতিরে ফিরতে হয়। এই চাকরির আয়ে পরিবার চলে।

সিলেট থেকে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসে আসা ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘জরুরি কাজের জন্য চলে আসতে হয়েছে। মোটামুটি ঝামেলাহীনভাবেই এসেছি। ট্রেনে খুব বেশি ভিড় ছিল না। রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, গতকাল বিভিন্ন গন্তব্য থেকে ৪৩টি আন্ত নগর, ২৩টি লোকাল, মেইল  ও কমিউটার ট্রেনসহ মোট ৬৬টি ট্রেন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় আসে।

ঢাকার রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আনোয়ার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ঢাকায় মানুষ ফিরছে। তবে অনেকে পরিবার নিয়ে ফিরছে না। রংপুর এক্সপ্রেসসহ উত্তরবঙ্গের কিছু ট্রেন আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা দেরি করেছে। তবে সেটা নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। এদিকে ঢাকার বিমানবন্দর সড়কের মতো রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথে ঢাকামুখো মানুষের সংখ্যা বাড়লেও তেমন কোনো চাপ ছিল না। যাত্রাবাড়ী, গাবতলী ও সায়েদাবাদ এলাকায় গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির চলাচল বেড়েছে।

পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এখনো অনেক পোশাক শ্রমিক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ঢাকায় ফেরেননি। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে তাঁদের ফেরার চাপ বাড়তে পারে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।

বিআরটিএর উপপরিচালক (ইঞ্জি.) ও মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুব্রত কুমার দেবনাথ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে আজ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে। বিআরটিএর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও যত্রতত্র স্টপেজে গাড়ি না থামানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সচেতনতা কার্যক্রম চলছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad