Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৭ ঘন্টা আগে
  • ২৫ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

কুড়িগ্রামে শাপলা চত্বর ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত করায় জনমনে ক্ষোভ

কুড়িগ্রামে শাপলা চত্বর ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত করায় জনমনে ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
কুড়িগ্রাম শহরের শহীদ মিনার এলাকার যানজট নিরসনের লক্ষ্যে শাপলা চত্বরের কিছু অংশ ভেঙে সড়ক প্রশস্ত করায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) কুড়িগ্রাম পৌরসভা এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের যৌথ উদ্যোগে শহরের জিরো পয়েন্টে এ কাজ শুরু হয়। কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও শাপলা চত্বর কুড়িগ্রাম-রংপুর ও কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কের সংযোগস্থল। প্রশাসনের ভাষ্য, মোড়টি সরু হওয়ায় বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে অটোরিকশা, বাস ও ট্রাকের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। এতে যানজটের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বাড়ে। জনদুর্ভোগ নিরসনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মীর নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, যানজট নিরসনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনের প্রায় ১৫ ফুট অংশ অপসারণ করা হবে। এতে মোড়টি প্রশস্ত হবে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হবে। তিনি আরো বলেন, শহীদ মিনার একটি সংবেদনশীল বিষয় হওয়ায় জেলার সব রাজনৈতিক দল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সওজ কেবল নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে।

কাজ পরিদর্শনে গিয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ বলেন, শাপলা চত্বর দীর্ঘদিন ধরে শহরের যানজটের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত। শহীদ মিনারের মূল স্তম্ভ অক্ষত রেখে শুধু অব্যবহৃত ও অনাবশ্যক অংশ অপসারণ করা হচ্ছে। যাতে সড়ক প্রশস্ত করা যায়। এতে শহরের কেন্দ্রস্থলে যান চলাচল আরো গতিশীল হবে। তবে এ ঘটনায় বিরোধিতা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা। তাদের দাবি, শাপলা চত্বরসংলগ্ন রেলওয়ের খাসজমি। আশপাশের দোকানপাট উচ্ছেদ করেও সড়ক প্রশস্ত করা সম্ভব ছিল।

রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহসভাপতি সুব্রতা রায় বলেন, শহীদ মিনারের অংশ ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত করা গ্রহণযোগ্য সমাধান নয়। প্রয়োজন হলে আশপাশের জমি অধিগ্রহণ বা দোকানপাট সরিয়ে সড়ক সম্প্রসারণ করা যেত। তিনি আরো বলেন, শহীদ মিনারের জায়গা সংকুচিত করে সড়ক সম্প্রসারণ ভাষা আন্দোলনের স্মৃতির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad