Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় চরম ঝুঁকিতে শহরের বিপণিবিতানগুলো

অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় চরম ঝুঁকিতে শহরের বিপণিবিতানগুলো

ফাইল ছবি

ভবতোষ রায় মনা

গাইবান্ধা জেলা শহরে গড়ে ওঠা অধিকাংশ মার্কেট ও বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে নেই অগ্নিনির্বাপণের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা। ফলে ছোটখাটো অসাবধানতা থেকেও বড় ধরনের অগ্নিদুর্ঘটনার আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছে। 

সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, শহরের প্রধান প্রধান বিপণিবিতানগুলোতে নেই পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার, পানির রিজার্ভ ট্যাংক, বালুভর্তি বালতি কিংবা জরুরি বহির্গমন পথ (রেসকিউ সিঁড়ি)। ব্যস্ততম এই এলাকাগুলোতে দোকানপাট গাদাগাদি করে অবস্থিত হওয়ায় আগুন লাগলে তা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। শহরের অনেক ব্যবসায়ীই স্বীকার করছেন যে, অগ্নিদুর্ঘটনা মোকাবিলায় তাদের প্রস্তুতি একেবারেই নগণ্য। আবার অনেক ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকলেও তা ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে তারা জানেন না কিংবা যন্ত্রটি কোথায় রেখেছেন তা-ই ভুলে গেছেন।

দোকান ব্যবসায়ীরা জানান, জনবহুল গাইবান্ধা শহরে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে মালিকপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছা এবং প্রশাসনিক তদারকি অত্যন্ত জরুরি। জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার আওতায় আনার কোনো বিকল্প নেই। গাইবান্ধা ইসলাম প্লাজা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো: আফরাফুল ইসলাম বলেন, এই মার্কেটে যদি আগুন লাগে আশপাশে কোনো পানির ব্যবস্থা নেই। পৌর পুকুর থেকে পানি সরবরাহের মাধ্যমে আগুন নেভাবো সম্ভব। কিন্তু তার আগেই সব পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। আমরা সরকার ও মার্কেটগুলোর মালিককে অনুরোধ করবো মার্কেটের আশপাশে পানির লাইনের এবং আগুন নিভানোর বিভিন্ন উপকরণ মজুত রাখা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জনবহুল গাইবান্ধা শহরে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে মালিকপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছা এবং প্রশাসনিক তদারকি অত্যন্ত জরুরি। জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার আওতায় আনার কোনো বিকল্প নেই।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, গাইবান্ধা শহরে যে মার্কেটগুলো আছে, তা ছোট ছোট আকারে। আমরা প্রতিনিয়ত মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ীদের সচেতন করার চেষ্টা করছি। বিভিন্ন সময়ে অগ্নিমহড়াও পরিচালনা করা হচ্ছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মালিকপক্ষ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম রাখার ব্যাপারে উদাসীন। তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে খুব দ্রুত প্রতিটি মার্কেট ও দোকান মালিকদের জন্য তিন মাসের একটি সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এই সময়ের মধ্যে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad