Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৪ ঘন্টা আগে
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসে নেপালে নিহত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ ৫৭৯

আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসে নেপালে নিহত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ ৫৭৯

অনলাইন ডেস্ক ►

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বিভিন্ন দেশের ৫৭৯ জন মানুষ। নিখোঁজদের মধ্যে বেশিরভাগই পর্যটক। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত হতাহতদের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে নেপাল পুলিশের এক মুখপাত্র। 

নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চিতওয়ানে সবচেয়ে বেশি ৬৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ধাদিংয়ে ২৭, নাওয়ালপরাসি ইস্টে ২২, গোরখায় ১৯, নুওয়াকোটে ১৩, তানাহুনে ৯ এবং রাসুয়ায় ৩ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। দুর্যোগে নেপাল পুলিশের ২৮ সদস্যও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

এছাড়া, নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা এখন ৫৭৯-এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ৪৬৬ জন ২৮টি ভিন্ন দেশের বিদেশি নাগরিক। নেপালি পুলিশ বলছে, নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ১১৩ জন নেপালি, ৫৪ জন মার্কিন নাগরিক এবং নিখোঁজ ব্রিটিশ নাগরিকের সংখ্যা ৩৩ জন। নেপাল পর্যটন বোর্ডের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে ভারতের ১৩৩ জন রয়েছেন।

এদিকে, দুর্যোগের ঘটনায় আহত ৪১ জন বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে মহারাজগঞ্জের টিইউ টিচিং হাসপাতালে ২০ জন, ত্রিশূলী হাসপাতালে ৯ জন, ট্রমা সেন্টারে ৪ জন, বীর হাসপাতাল ও নরভিক হাসপাতালে ৩ জন করে এবং ছাউনির বীরেন্দ্র মিলিটারি হাসপাতালে একজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বন্যায় অবকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অন্তত ১৯টি যান চলাচলযোগ্য সেতু ধ্বংস হয়েছে এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার পাকা মহাসড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি উদ্ধারকাজও কঠিন হয়ে পড়েছে।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, তিমুরে, স্যাফ্রুবেশি, বেত্রাবতী, ত্রিশূলী বাজার ও দেবীঘাট এলাকায় ‘চরম ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য প্রাথমিক। নুওয়াকোট, ধাদিং, গোরখা ও চিতওয়ান জেলার ভোটেকোশি ও ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী এলাকায় উচ্চ ঝুঁকি থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রাসুয়ার গালছি-নুওয়াকোট ও স্যাফ্রুবেশি সড়ক এবং মুগলিং-নারায়ণগড় সড়ক এড়িয়ে চলার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ করেছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে, বুধবার সকালে দিকে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের কারণে নেপালের ভোটেকোশি নদীতে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। এতে সীমান্তবর্তী জনপদ, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং কাঠমান্ডু-কেরুং বাণিজ্যপথের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে বন্যার পানি ত্রিশূলী নদীর অববাহিকায় গিয়ে মিশে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad