Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
  • ১০ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

অস্ত্রশস্ত্র বদলে ফেলবে ইরান, যা দেখে ‘বিশ্ববাসী বিস্মিত হবে

অস্ত্রশস্ত্র বদলে ফেলবে ইরান, যা দেখে ‘বিশ্ববাসী বিস্মিত হবে

অনলাইন ডেস্ক ►
ইরানের ওপর নতুন করে কোনো হামলা হলে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিসর ও ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র সেকেন্ড ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি। খবর প্রেস টিভির। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, নতুন কোনো আগ্রাসন হলে ইরানের প্রতিরক্ষা ও পাল্টা হামলার কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিসরও পরিবর্তন করা হবে।

মোহেব্বি বলেন, ইরান নতুন সক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করবে, যা দেখে ‘বিশ্ববাসী বিস্মিত হবে’। আইআরজিসির এই মুখপাত্র বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ওয়াশিংটন কৌশলগত পরাজয়ের মুখে পড়েছে। তার ভাষায়, এই পরাজয় ‘ঐতিহাসিক ও অপমানজনক’ হলেও যুক্তরাষ্ট্র তা স্বীকার করতে সাহস করছে না।

মোহেব্বির বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২০২৫ সালের জুনে ইরানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার যুদ্ধ শুরু করে, যা ১২ দিন স্থায়ী হয়। এরপর ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দফার সংঘাত শুরু হয়ে এপ্রিলের শুরুতে শেষ হয়। উভয় ক্ষেত্রেই ইরানের প্রতিরোধ ও পাল্টা হামলার কারণে আগ্রাসনকারীরা যুদ্ধবিরতিতে যেতে বাধ্য হয় বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো আগ্রাসন হলে পুরো অঞ্চলজুড়ে মার্কিন অবস্থান ও স্বার্থের ওপর ধারাবাহিক ও ‘বেদনাদায়ক’ পাল্টা হামলা চালানো হবে। মোহেব্বি বলেন, দ্বিতীয় দফার যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিপুল সামরিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ পুনরায় চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জ্বালানি সরবরাহ ও নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করাকে যুক্তরাষ্ট্র তার আঞ্চলিক উপস্থিতির অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরলেও হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে পারেনি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘পরাজয়ের অন্যতম ক্ষেত্র’।

মোহেব্বি বলেন, ইরানি সশস্ত্র বাহিনী পশ্চিম এশিয়াজুড়ে মার্কিন কৌশলগত অবস্থান ও স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে। এর ফলে আঞ্চলিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও ওয়াশিংটনের জন্য দুর্বলতায় পরিণত হয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মোহেব্বি। তিনি বলেন, পারস্য উপসাগর ও উত্তর ইরাকের আশপাশে থাকা মার্কিন গোয়েন্দা কেন্দ্রগুলোতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

তার দাবি, এসব স্থাপনা শনাক্ত, নজরদারি এবং সেগুলোতে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে ইরান। এ ঘটনাকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় ধরনের গোয়েন্দা ব্যর্থতা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। মোহেব্বির ভাষ্য, এসব ঘটনা শুধু নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থতার বিষয় নয়; বরং এগুলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৌশলগত পরাজয়ের ইঙ্গিত দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad