Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
ফটো কার্ড

আমে সয়লাব গাইবান্ধার বাজার

আমে সয়লাব গাইবান্ধার বাজার

উজ্জল চক্রবর্ত্তী ►
মধুমাসের অন্যতম ফল আম। আবহাওয়ার প্রতিকূলতায় চলতি বছর গাইবান্ধায় এর ফলন খুব একটা না হলেও বর্তমানে আমে সয়লাব গাইবান্ধার বাজার। আশানূরূপ দামে এবছর আম কিনতে পারছেন ক্রেতারা। গাইবান্ধার বাজারগুলোতে যশোর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, রংপুর ও ঠাকুরগাঁ’র বিভিন্ন জাতের আম কেনাবেচা হচ্ছে। পাইকারী ও খুচরা উভয় বাজারেই আমের দেখা মিলছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে ক্রেতা বুঝে দোকানীরা আমের দাম চাচ্ছে এবং বিক্রি করছে।

তবে দরদাম করে যারাই আম কিনছেন তারাই সঠিক দামে আম কিনতে পারছেন। খুচরা বাজারে গোপালভোগ প্রতিকেজি ৬০-৮০ টাকা, ল্যাংড়া ৫০-৭০, হাড়িভাঙা ৪০-৬০, আম্রপালি ৫০-৭০, নাগফজলি ৫০-৭০, খিরসা ৫০-৭০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বানানা জাতের পাহাড়ী আম বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে। রাস্তার পাশের প্রতিটি ফলের দোকানে এখন অন্যান্য ফলের চেয়ে আম বেশি বেশি করে সাজিয়ে রেখেছেন ব্যবসায়িরা, বিক্রিও হচ্ছে বেশ ভালোই। এছাড়া ডালিতে করেও মৌসুমী ফল বিক্রেতারা আম বিক্রি করছেন রাস্তার পাশে এবং বিভিন্ন মোড়ে।

দোকানের বিক্রেতাদের চেয়ে ১০-২০টাকা কমেই পাওয়া যাচ্ছে ডালিতে আম বিক্রেতাদের কাছে। এছাড়া শহরের পুরাতন বাজারের পাইকারী দোকান এবং নতুন বাজার ও স্টেশন রোডের পাইকারী আমের দোকানগুলোতে বেশ কম দরে বিক্রি হচ্ছে আম। সেখানে ক্যারেট (খাঁচা) অনুযায়ী প্রতিমণ আম বিক্রি হচ্ছে ১,২০০ থেকে ১,৬০০টাকা মণ দরে। বাড়িতে খাওয়ার পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও উপহার হিসেবে আম নিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। আম কিনতে আসা ক্রেতা শহরের পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা রাজু চৌহান বলেন, অন্যান্য বছরের মত এবারও আমের দাম হাতের নাগালে।

তিনি আমে ক্যামিকেলের উপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। ডিবি রোডের আম বিক্রেতা আজম খান বলেন, এবছর গাইবান্ধায় আমের উৎপাদন খুব একটা না হলেও অন্যান্য জেলা থেকে পর্যাপ্ত আম এসেছে এবং আসছে। তাই দাম এখনও মানুষের নাগালের মধ্যেই রয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন জেলায় প্রশাসনের সার্বিক তদারকিতে নির্দিষ্ট সময়ে বাগান থেকে আম নামানো হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন জাতের আম বাজারে তাই পরিপক্ক আমে ক্যামিকেল দেওয়ার কোনই প্রয়োজন নেই। পুরাতন বাজারের পাইকারী আম বিক্রেতা রুহুল আমিন বলেন, তারা বিভিন্ন জেলায় আমের বাগান কিনে নিয়েছেন।

ওইসব জেলার প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক বেঁধে দেওয়া সময়েই গাছ থেকে আম সংগ্রহ করে সেগুলো ক্যারেটে বোঝাই করে বিক্রির জন্য গাইবান্ধায় নিয়ে আসছেন। তিনি আরও বলেন, আমে কোন ক্যামিকেল প্রয়োগ করা হয় না। তবে ফলনের শুরুতে আমের গুটি আটকানোর জন্য গাছে স্প্রে করতে হয়। যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad