Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৪ ঘন্টা আগে
  • ৪০ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

কৃষকদের সঠিক পরামর্শ প্রদানে কৃষি অধিদপ্তরের লিফলেট বিতরণ

কৃষকদের সঠিক পরামর্শ প্রদানে কৃষি অধিদপ্তরের লিফলেট বিতরণ

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি ►
নকল, ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কীটনাশক, সারের ডিলারের গোডাউনের রেজিষ্টার পরিদর্শনে দিনরাত ছুঁটে চলছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ কাইয়ুম চৌধুরী। সেই সাথে মাঠ পর্যায়ের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে কৃষি উপকরণের সঠিক ব্যবহার সর্ম্পকে কৃষকদের পরামর্শ প্রদানসহ বিভিন্ন সচেতনামুলক লিফলেট বিতরণ করছেন তিনি।

কৃষি অফিসারের এই ব্যতিক্রম উদ্দ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছেন অনেক কৃষি উদ্যোক্তা এবং সফল চাষি। জানা গেছে, মাঠ পর্যায়ে হঠাৎ করে সারের চাহিদা বেড়ে যায়। সে কারণে উপজেলা কৃষি অফিসার মাঠ পর্যায়ের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে কৃষকদের কীটনাশক ও সারের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করণের জন্য এই উদ্দ্যোগ গ্রহন করেছেন। কৃষকদের পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন সচেতনতামুলক লিফলেট বিতরণ করছেন কৃষি অধিদপ্তর। দিনরাত কৃষি অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তাদের এই উদ্যোগকে অনেকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের নারী কৃষি উদ্দ্যোক্তা রজনী বেগম বলেন, গত তিনমাস ধরে উপজেলা কৃষি অফিসারসহ মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাগণ প্রতিনিয়ত বাড়িতে গিয়ে তাঁর বিভিন প্রজেক্ট নিয়ে পরামর্শ প্রদান করছেন। সেই সাথে ওই গ্রামের আগ্রহী কৃষকদের উদ্দ্যোক্তা হওয়ার জন্য উৎসাহী করছেন। এটি ওই এলাকর কৃষকদের জন্য একটি ভাল দিক। জরমনদী গ্রামের শিম চাষি বিধান চন্দ্র বলেন, মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের উদাসিনতা থাকলেও উপজেলা কৃষি অফিসারের দিক নির্দেশনামুলক পরামর্শ তাদেরকে অনেকটা উৎসাহী করে তুলেছেন।

শিম চাষ নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর থেকে কৃষি অধিদপ্তর চরমনদী শিম চাষের গ্রামটিকে অন্য চোখে দেখছেন। পৌর শহরের শহরের সার ডিলার মো. আব্দুর রশিদ সরকার ডাবলু বলেন, বর্তমান কৃষি অফিসার প্রায় প্রতিদিন সারের গোডাউন, বিতরণ রেজিষ্টার পরিদর্শন করছেন। এটি অত্যন্ত একটি চমৎকার উদ্যোগ। এতে করে অনেক ব্যবসায়ী সচেতন হবেন, সেই সাথে স্বচ্ছতা ও জবাবদীহিতা আরো মজমুত হবে।

কীটনাশক ও বীজ ব্যবসায়ী মো. শহিদার রহমান জাহাঙ্গীর বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার যেভাবে প্রতিটি দোকানে গিয়ে নকল, ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পর্ন্য দেখভাল করছেন, তাতে করে ব্যবসায়ীরা অনেকটা সর্তক হবেন। সেই সাথে কৃষকরা আর প্রতারিত এবং ঠকবেন না। এটি ভাল উদ্যোগ। উপজেলা কৃষি অফিসার বলেন, এই উপজেলা একটি কৃষি নির্ভর এলাকা।

বিশেষ করে তিস্তার চরাঞ্চাল বর্তমানে কৃষির জন্য একটি সম্ভাবনার জোনে পরিনত হয়েছে। কৃষকগণ যাতে কোন ভাবে হয়রানি, প্রতারণার শিকার এবং সঠিক পরামর্শ হতে বঞ্চিত না হন, সে কারনে তিনি নিজে এই উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad