Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
ফটো কার্ড

টেস্ট দল নিয়ে আশাবাদী সালাহউদ্দিন

টেস্ট দল নিয়ে আশাবাদী সালাহউদ্দিন

অনলাইন ডেস্ক ►
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান চক্রে দারুণ ছন্দে রয়েছে বাংলাদেশ। চার ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে আছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এবার তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অস্ট্রেলিয়া, এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা। এই চক্রে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের বাকিও এই চারটি ম্যাচই। জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে এক সময় কাজ করা মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন মনে করেন, দেশে ও বিদেশে এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে এই চক্রে বাংলাদেশ শীর্ষ দুই বা তিনে জায়গা করে নিতে পারে। বর্তমানে বিসিবির হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটে কর্মরত সালাহউদ্দিন গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশের টেস্ট দল বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। গত দুই চক্রে সে ধারার প্রতিফলনও দেখা গেছে পারফরম্যান্সে। তাই টেস্ট দল নিয়ে আশাবাদী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। তার মতে, এই দলের ক্রিকেটাররা নিজেদের দায়িত্ব ও লক্ষ্য সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন।

সালাহউদ্দিন বলেন, ‘টেস্ট দল নিয়ে আমি সবসময় আশাবাদী। আমার মনে হয়, যারা টেস্ট খেলে তারা নিজেদের সম্পর্কে সচেতন এবং লক্ষ্যটা ভালোভাবে জানে। অন্যদের তুলনায় তারা অনেক বেশি গোছানো। তাই এই দলের ভালো না করার কোনো কারণ দেখি না।’ টেস্ট দলের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সামনে বিদেশের মাটিতে আমাদের চারটি টেস্ট আছে। সেখান থেকে যদি ভালো ফল করতে পারি এবং দেশের চারটি ম্যাচও জিততে পারি, তাহলে আমার বিশ্বাস আমরা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষ তিনের মধ্যে থাকতে পারব।’

তবে সেই লক্ষ্য পূরণে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকেই পয়েন্ট নিয়ে ফিরতে হবে নাজমুল হোসেন শান্তদের। অন্তত একটি ড্রও হতে পারে মূল্যবান। কাজটি অবশ্য সহজ নয়। প্রায় ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তার ওপর চোটের ধাক্কায় দলও পুরো শক্তিতে নেই। নিয়মিত পেসার নাহিদ রানা এরই মধ্যে ছিটকে গেছেন। চোট কাটিয়ে প্রথম টেস্টের দলে জায়গা পেলেও লিটন দাসের খেলা নিয়ে এখনো রয়েছে অনিশ্চয়তা।

তবু লিটনের আগেভাগে দলের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া যাওয়াকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘অভিজ্ঞতা কখনো হারিয়ে যায় না। সে আগে যাচ্ছে, এটা ভালো। এতে সেখানে গিয়ে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সময় পাবে। গত ৪৫ দিনে সে ম্যাচ খেলেনি। অনুশীলন ম্যাচে খেলতে পারলে সেটা তার জন্য খুবই উপকারী হবে। তখন টেস্ট ম্যাচ খেলাও অনেক সহজ হবে। না হলে সরাসরি টেস্টে নামাটা কঠিন হয়ে যাবে।’ তবে নাহিদ রানাকে না পাওয়ার আক্ষেপ লুকাননি সালাহউদ্দিন। একই সঙ্গে দলে থাকা বোলারদের সামর্থ্য নিয়েও তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে আমিও খুব রোমাঞ্চিত ছিলাম নাহিদ রানা অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারদের বিপক্ষে কীভাবে বোলিং করে, বিশেষ করে বাউন্সার ব্যবহার করে, সেটা দেখার জন্য। কিন্তু যেহেতু সেটা হচ্ছে না, তাই হা-হুতাশ করে লাভ নেই। আমার বিশ্বাস, দলে থাকা অন্য বোলাররা যদি পরিকল্পনা মেনে ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে বোলিং করতে পারে, তাহলে তারাও ভালো করবে।’

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad