Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৩ ঘন্টা আগে
ফটো কার্ড

দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছে’ ভেবে মরদেহ তুললেন সন্তানরা

দাফনের ১২ ঘণ্টা পর ‘মা বেঁচে আছে’ ভেবে মরদেহ তুললেন সন্তানরা

অনলাইন ডেস্ক ►
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর এক বৃদ্ধার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করেন তার স্বজনরা। পরিবারের এক সদস্যের দাবি ছিল, তিনি এখনও জীবিত। পরে মরদেহটি স্থানীয় হাসপাতালসহ কয়েকটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে নিশ্চিত করেন। ঘটনাটি শনিবার (১ আগস্ট) রাতে ঘটে এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চর মাহমুদপুর গ্রামের বাসিন্দা হালিমা খাতুন (৬৫) বার্ধক্যজনিত কারণে শুক্রবার দিবাগত রাতে মারা যান। শনিবার সকালে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

দাফনের পর থেকেই হালিমা খাতুনের মানসিকভাবে অসুস্থ মেয়ে সুলতানা দাবি করতে থাকেন, তার মা জীবিত আছেন। পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব না দিলেও পরে রাত ৯টার দিকে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করেন। স্বজনদের ভাষ্য, মরদেহের হাত-পায়ে নড়াচড়ার মতো কিছু অনুভূত হওয়ায় তারা নিশ্চিত হতে প্রথমে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে ইসিজিসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য জামালপুরের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখানকার চিকিৎসকরাও একই মত দেন। পরে রাতেই মরদেহটি পুনরায় দাফন করা হয়।

মৃতের ছেলে হুমায়ূন কবির জানান, তার বোনের অনুরোধ এবং মরদেহে নড়াচড়ার মতো অনুভূতি থেকেই তারা কবর খুলেছিলেন। তবে বিভিন্ন হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেন যে তাদের মা আগেই মারা গিয়েছিলেন।

মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক জানান, ঘটনার সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। তবে তিনি জেনেছেন, হাসপাতালে আনা মরদেহের ইসিজি পরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপরও পরিবারের সদস্যরা আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য অন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। তবে এ বিষয়ে থানায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad