Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ২ ঘন্টা আগে
ফটো কার্ড

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ধস, হুমকির মুখে লাখো মানুষ

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ধস, হুমকির মুখে লাখো মানুষ

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি ►

দীর্ঘ দিন থেকে মেরামত, সংস্কার, সংরক্ষণ না করায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বােঁধর অসংখ্য স্থানে ধস বা গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গাইবান্ধা সদরের কামারজানি থেকে সুন্দরগঞ্জের মওলানা ভাসানী সেতু এলাকা পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার বাঁধটি বর্তমানে ঝঁুকির মুখে। গত এক সপ্তাহের টানা ভারী বষর্ণে ১৫ কিলোমিটার বাঁধটি অন্তত ৫০টি স্থানে বিশাল আকৃতির ধস বা গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বাঁধটি দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষ করে কাপাসিয়া ইউনিয়নের ফুল মিয়ার মোড় হতে লালচামার পর্যন্ত বাঁধটি অবস্থা খারাপ। বড় ধরনের বন্যা হলে পানির স্রোতে বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসি। এতে করে বাঁধের বাইরের ১৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

কাপাসিয়ার ফুল মিয়ার বাজারের ষাটউদ্ধ ফরমান আলী বলেন, বাঁধটি কবে নাগাদ নির্মাণ করা হয়েছে, তা মনে পরে না। তবে এরপর থেকে আর কখনো এটি সংস্কার ও মেরামত করে নাই সরকারের পানি উন্নয়ন বোর্ড। সে কারনে দিন দিন মাটি ধসে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ইদানিং বৃষ্টির কারনে বাঁধটির সুন্দরগঞ্জ এলাকায় অনেক গর্ত দেখা দিয়েছে। এখনেই এগুলো মেরামত না করলে বন্যার সময় বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে লাখো মানুষের ক্ষতি হবে। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান বলেন, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভিতর দিয়ে চলমান ১৫ কিলোমিটার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটির অবস্থা বর্তমানে ভাল না। এটি পানি উন্নয়ন বোর্ড দেখভাল করেন। এখানে তাদের কোনো দায়দায়িত্ব নেই। উপজেলা নিবার্হী অফিসার ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ভারী বর্ষনের কারনে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বােঁধর বেশ কিছু স্থানে গর্তের সৃষ্টির হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বলা হয়েছে। 

এ বিষয়ে গাইবান্ধা পানি উন্নযন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন। সংস্কার বা মেরামতের জন্য বরাদ্দ চেয়ে চাহিদা পাঠিয়েছে। বরাদ্দ পেলে তাৎক্ষনিক মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad