Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ১ ঘন্টা আগে
  • ৪ বার দেখা হয়েছে
ফটো কার্ড

মায়ের শখ পূরণে হাতির পিঠে চড়ে বর গেলেন মেয়ের বাড়িতে

মায়ের শখ পূরণে হাতির পিঠে চড়ে বর গেলেন মেয়ের বাড়িতে

সাদুল্লাপুর প্রতিনিধি ►

হাতির পিঠে চড়ে রাজকীয় বরযাত্রা। অতীতের রাজা-বাদশা-জমিদারের রাজপুত্রদের মতো ছেলের এমন রাজকীয় বিয়ের আয়োজনের শখ ছিল মায়ের। আর সেই শখ পূরণেই হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন সাদুল্লাপুর উপজেলার শাকিল মিয়া (২৭)। 

গত শুক্রবার বিকালে উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের চকনদী গ্রামে এমন ব্যতিক্রমী বিয়ের আয়োজন করা হয়। এই বর্ণাঢ্য বরযাত্রা দেখতে গ্রামীণ এই জনপথে শত শত উৎসুক মানুষের ঢল নামে। বর শাকিল মিয়া চকনদী গ্রামের সায়েদ আলী ও মোছাঃ পোশাকী বেগম দম্পতির ছেলে। ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকুরি করেন তিনি। কনে সুমাইয়া আকতার বিথী (১৯) পার্শ্ববর্তী ধাপেরহাট ইউনিয়নের হিংগারপাড়া গ্রামের খোকন মিয়া ও সুলতানা বেগমের মেয়ে। 

শুক্রবার বিকাল ৪টায় বাড়ি থেকে হাতির পিটে চড়ে কনের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন শাকিল। প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ পারি দিয়ে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কণের বাড়ি পৌঁছান। তাঁর সাথে মাইক্রোবাসে ছিল বরযাত্রীগণ। সেখানে সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুমাইয়া আকতারের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। যৌতুক বিহীন এই বিয়ের দেন মোহরানা করা হয়েছে আড়াই লক্ষ টাকা। যা বিয়ের আসরেই নববধুকে নগদ বুঝিয়ে দেন বর। পরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই নববধুকে নিয়ে বাড়ি ফিরেন শাকিল। 

বর শাকিল মিয়া বলেন, বিয়ে জীবনের একটি বিশেষ দিন। যা বারবার আসে না। এছাড়া  মা এর দীর্ঘদিনের ইচ্ছা তাকে হাতির পিঠে ওঠে বিয়ে করাবেন। তাঁর এই ইচ্ছা এবং বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০ হাজার টাকা দিয়ে হাতিটি ভাড়া করে আনা হয়। মায়ের এ শখ পূরণ করতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। 

বরের মা মোছাঃ পোশাকী বেগম বলেন, সন্তানকে ঘিরে একজন মায়ের অনেক স্বপ্ন থাকে। কিন্তু সব স্বপ্ন পূরণ হয় না। তবে আমার এই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত। তিনি আরও বলেন, নবদম্পতির জন্য সবাই দোয়া করবেন।  ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শিপন জানান, মায়ের সখ ইচ্ছা পুরন করতেই হাতির পিঠে এই বিয়ের আয়োজন,  যা এই এলাকায় প্রথম। এ কারণে শত শত মানুষ বর ও হাতি দেখতে বিয়ে বাড়িতে ভীড় জমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad