Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৩৮ মিনিট আগে
ফটো কার্ড

লাল বাবুর ওজন এক হাজার ৫০ কেজি

লাল বাবুর ওজন এক হাজার ৫০ কেজি

নিজস্ব প্রতিবেদক ►
বিশালাকৃতির এই গরুটির এক পাশে দাঁড়ালে দেখা যায় না অপর পাশ। লাল রঙ ও শান্ত স্বভাবের হওয়ায় তার নাম রাখা হয়েছে লাল বাবু। এবার ঈদে বিক্রির জন্য শাহিওয়াল জাতের বৃহৎ আকৃতির লাল বাবুকে তোলা হবে গাইবান্ধার কোরবানির হাটে। এবার হাটের সব ক্রেতার নজর কাড়বে লাল বাবু আশা গরুটির মালিক কিশোর কুমার সরকারের। নিজের বাড়ির গাভি থেকে পাওয়া বাছুরটি প্রায় সাড়ে ৩ বছর থেকে লালন পালন করে আসছেন জেলার ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের উদাখালি গ্রামের কৃষক কিশোর কুমার সরকার। জন্মের পরই বাছুরটির দৈহিক গঠন অনেক বড় হয়।

অল্প সময়েই বৃহৎ আকৃতি ধারণ করে গরুটি। আদর করে গরুটিকে খাওয়ান না কোনো ফিট বা কৃত্রিম অন্য কিছু। দানাদার খাবারের পাশাপাশি তার খাদ্য তালিকায় রয়েছে ধানের গুড়া, ভুসি, ছোলা বুট, সবুজ ঘাস, শাকসবজি। প্রতিদিন খাবারে লাল বাবুর জন্য ব্যয় হয় ৬শ থেকে ৭শ টাকা। বিশালাকৃতির এই গরুটি ৮ ফুট লম্বা এবং উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। গরুটির এক পাশে দাঁড়ালে দেখা যায় না অপর পাশ। গরুর মালিক কিশোর কুমার সরকার জানান

বিশাল দৈহিক আকৃতির হলেও স্বভাবে খুবই শান্ত প্রকৃতির লাল বাবু। গলায় দড়ি ছাড়াই তার ও তার পরিবারের সবার কথামতো চলাফেড়া করে লাল বাবু। তাই পরিবারের সদস্যরা তাকে ভালোবাসেন নিজ পরিবারের সদস্যদের মতো। প্রাকৃতিক খাবারের পাশাপাশি তাকে আদর করে সবাই খাওয়ান বিস্কুট, তরমুজ, কলাসহ নানা পদের খাবার। তিনি জানান, প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে প্রায় সাড়ে ৩ বছরে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। ৪ লাখ হলে গরুটি বিক্রি করবেন তিনি। লাল বাবু নামের বিশাল আকৃতির গরুটি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সী মানুষ ভিড় জমান তার বাড়িতে।

অনেকে জানান, আগে দেখেননি এমন আকৃতির গরু। এ ব্যাপারে ফুলছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জহিরুল ইসলাম জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে উপজেলার সব চেয়ে বড় গরু লাল বাবুর চিকিৎসা ও খাবার ব্যবস্থাপনাসহ সার্বিক বিষয়ে খোঁজ রাখা হচ্ছে। গরুটি বিক্রিতে বিভিন্নভাবে সহযোগিতার চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রায় সাড়ে ৩ বছর বয়সী লাল বাবুর ওজন এখন প্রায় ১ হাজার ৫০ কেজি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad