Ad
  • মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৫৯ মিনিট আগে
ফটো কার্ড

সড়কে গর্তের সৃষ্টি, ঝুকি নিয়ে পথচারীর চলাচল

সড়কে গর্তের সৃষ্টি, ঝুকি নিয়ে পথচারীর চলাচল

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি ►
সামান্য বৃষ্টি হতে না হতেই সুন্দরগঞ্জ-হরিপুর পাকা সড়কের দুই পাশে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যে কোন সময় সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ধসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঝুকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারীগণ। উপজেলার সাথে পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক এটি। প্রতিদিন ব্যস্ততম এই সড়কে হাজারও ছোটখাট যানবাহ চলাচল করে। মওলানা ভাসানী সেতুর সংযোগ সড়ক হিসেবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধটি ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০২৪ সালে এলজিইডির সার্বিক তত্ত্বাবধানে সড়কটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। হরিপুর সেতু পয়েন্ট হতে সুন্দরগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটারের এই সড়কটিতে গত এক সপ্তাহের সামান্য বৃষ্টি-বাদলে কমপক্ষে ৫০টি স্থানে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

সেই সাথে সড়কের চান্দের মোড়, মজিদ পাড়া স্কুলের মোড়সহ বেশ কয়েকটি স্থানে পানি জমে থাকায় পিচ উঠে গেছে এবং সড়কের মাঝে গর্তের সৃষ্টির হয়েছে। প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামানা করে পৌর শহরের কমলা কান্ত বসুনিয়া বলেন, জরুরী ভিত্তিতে¦ সড়কের গর্ত সমুহ মেরামত করা একান্ত প্রয়োজন। তা না হলে গর্তসমুহের স্থানে সড়কে ধসের সৃষ্টি হতে পারে। এখুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে টানা বৃষ্টি-বাদলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা সম্ভাবনা রয়েছে। সড়কটির দুই পাশে অনেক গভীর নালা রয়েছে। এছাড়া বালু মাটি দিয়ে সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সে কারনে সামন্য বৃষ্টি নামলেই গর্তের সৃষ্টি হয় বলেন ধুমাইটারি গ্রামের নয়া মিয়া। পাকা সড়কের মধ্যে জমা থাকা বৃষ্টির নেমে যাওয়ার বিকল্প ব্যবস্থা না করলে সবসময় সড়কটির দুই পাশে গর্তের সৃষ্টি হতে থাকবে। গর্ত সমুহ মোমত না করলে রাতের অন্ধকারে পথচারীসহ যানবান দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে বলেন বেলকা বাজারের স্কুল শিক্ষক মো. সুজ চন্দ্র সরকার। একাধিক যানবাহন সড়কটি দিয়ে চলাচলের সময় গর্তের মধ্যে পড়ে গেলে প্রাণহানীর সম্ভাবনা রয়েছে।

উপ-সহকারি প্রকৌশলী কাজি মাহাবুবুর রহমান বলেন, এক বছর পর্যন্ত সড়কটি মেরামতের দায়িত্বে ছিল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। যেহেতু এক বছর গত হয়েছে, সে কারনে এলসিএস এর নারীকর্মীগণ নিয়মিত সড়কটি দেখভালের দায়িত্ব পালন করছেন। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে পানি নেমে যাওয়ার জন্য নালা তৈরি করে দিতে হবে। তা না হলে অবস্থা চলতে থাকবে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব নিবার্হী প্রকৌশলীর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী তপন কুমার চক্রবর্তী বলেন, গত মঙ্গলবার উপজেলা ইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে আলোচনা সাপেক্ষে জরুরী ভিত্তিত্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Ad

এ জাতীয় আরো খবর
Ad
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
Ad