- মাধুকর প্রতিনিধি
- ৮ ঘন্টা আগে
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু, ফি ২২০ টাকা
অনলাইন ডেস্ক ►
দেশের সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলোতে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন কার্যক্রম আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে এবং এর জন্য কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে এবং আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নীতিমালা অনুযায়ী একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো নিচে দেওয়া হলো- আবেদন শেষ সময় হবে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর। প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ভর্তি নিশ্চায়ন ও পরবর্তী কার্যক্রম ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর। কলেজে ভর্তি সম্পন্ন হবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর। ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর।
যেকোনো শিক্ষাবর্ষের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের বছর এবং তার আগের দুই বছরের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। বিদেশি বোর্ড থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণ করিয়ে আবেদন করতে হবে। স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার পাবেন।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা-তিনটি বিভাগের যেকোনোটিতে আবেদন করতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগ ছাড়াও পরস্পরের বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইসলামী শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবেন।
প্রতিটি কলেজের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দফতর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ আসন মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত থাকবে। কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে মেধা তালিকা থেকে সেই আসন পূরণ করা হবে এবং এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।
সমান জিপিএ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মেধাক্রম নির্ধারণে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বর বিবেচনা করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগে মোট নম্বর সমান হলে পর্যায়ক্রমে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞান, ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়নের প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনা করা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ: মোট নম্বর সমান হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করা হবে।