- মাধুকর প্রতিনিধি
- এই মাত্র
গাইবান্ধায় মৎস্যজীবীদের নিয়ে সাঁতার ও হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
সঞ্জয় সাহা ►
তিন দিনব্যাপী মৎস পক্ষ ২০২৬ সমাপনী দিনে গাইবান্ধায় মৎস্যজীবীদের নিয়ে সাঁতার ও হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রুপালি মৎস্য স্বণির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ " এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে লক্ষ্য রেখে গাইবান্ধা মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজনে ১৮ আগষ্ট মঙ্গলবার তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে শহরের স্টেডিয়াম সংলগ্ন মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার গাইবান্ধা সদর প্রাঙ্গনে মৎস্যজীবীদের নিয়ে সাঁতার ও হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন বয়সী ২৫ জন মৎস্যজীবী ও জেলে অংশগ্রহণ করে। সাঁতার প্রতিযোগিতা শেষে হাঁস ধরা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে বক্তব্য রাখেন গাইবান্ধা জেলা মৎস্য অফিসার মোহাম্মদ আবদুর রাশেদ, সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবুল বাসার, গাইবান্ধা সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মারজান সরকার, গাইবান্ধা সদর উপজেলা মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার খামার ব্যবস্থাপক গোলাম জীলানী সহ অনেকে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকৃত বিজয়ী প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ব্যাক্তিদের বিকেলে জেলা মৎস্য অধিদপ্তর অফিসে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। উক্ত প্রতিযোগিতায় প্রথম হন গাইবান্ধা শহরের মাঝিপাড়ার শান্ত, দ্বিতীয় হয়েছে সরকার পাড়ার জিহাদ ও তৃতীয় হয়েছে সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়ন শাকিল।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন - পুকুর, খাল-বিল ও নদী ভরাট হওয়ায় সাঁতার শেখার ও প্রতিযোগিতার স্থান সংকুচিত হয়ে পড়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির আকর্ষণ ও প্রথাগত গ্রামীণ খেলাধুলার প্রতি উদাসীনতা। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের ঘাটতির কারণে বড় পরিসরে জাতীয় বা স্থানীয়ভাবে এসব প্রতিযোগিতা কমে গেছে। দীর্ঘদিনপর এসব প্রতিযোগিতা হওয়ায় ও অংশগ্রহণ করতে পেরে খুব ভাল লাগছে।

প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য মৎস্য অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। গাইবান্ধা জেলা মৎস্য অফিসার মোহাম্মদ আবদুর রাশেদ সাথে কথা হলে তিনি পত্রিকার প্রতিবেদককে বলেন- আগে গাইবান্ধার বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় যুবসমাজ ও ক্লাব নিজ উদ্যোগে গ্রামীণ ঐতিহ্য ধরে রাখতে মাঝেমধ্যে সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করত। এখন এসব প্রতিযোগিতা গ্রামীণ ও শহর পর্যায়ে হারিয়ে যেতে বসেছে। গ্রামীণ ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও মানুষের প্রতিভাগুলো তুলে ধরতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে এই আয়োজন করা