• মাধুকর প্রতিনিধি
  • এই মাত্র

তিস্তার নিচু এলাকা প্লাবিত



সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি ►
টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তার নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। চরের রাস্তাঘাট ডুবে গেছে, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। চরের মানুষের যাতায়াতের এখন একমাত্র ভরসা নৌকা। এক চর হতে অন্য চর এবং হাট-বাজারসহ জেলা ও উপজেলা শহরে যাওয়া আসা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে অবিরাম বর্ষণ এবং উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় নিচু এলাকা ডুবে গেছে।

তবে সুন্দরগঞ্জ এলাকায় তিস্তার পানি বিপদ সীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। চরাঞ্চলের অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর ,চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের ওপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। তিস্তার পানি বাড়লে চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। বেলকা চরের মো. শিপন মিয়া বলেন, শনিবার দিনে পানি বাড়তি ছিল, রাত হতে কমতে শুরু করেছে। চরের রাস্তাঘাটগুলো ডুবে গেছে। অনেকে হাটু ও কোমর পানির মধ্যে দিয়ে চলাচল করছেন।

অনেকে নৌকা দিয়ে চলাচল করছেন। বিশেষ করে স্কুল কলেজগামী ছেলে মেয়েদের বেশি কষ্ট হয়েছে। কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি বোচাগাড়ি গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায় চরের মানুষগুলো পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেই সাথে নিচু এলাকা ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেকে নৌকা দিয়ে চলাচল করছেন। অপরদিকে পানি বাড়ার সাথে সাথে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে।

হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, টানা ভারী বর্ষণের কারনে তিস্তায় পানি বেড়ে গেছে। চরের নিচু এলাকাগুলো ডুবে গেছে। পানি বৃদ্ধি ও বর্ষণ অব্যাহত থাকলে বর্ন্যা দেখা দিতে পারে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান বলেন, সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে এখনো পানি বিপদসীমার অনেক নিচ দিয়ে চলাচল করছে। তবে পানি বাড়তে থাকায় কিছু কিছু চরের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। চরবাসিকে সর্তক করা হচ্ছে।