• মাধুকর প্রতিনিধি
  • ৬ ঘন্টা আগে

বৃষ্টি হলেই মাঠে থইথই পানি ‎মাটি ভরাটের টাকা পকেটে!



নিজস্ব প্রতিবেদক ►
বৃষ্টি হলেই মাঠে থইথই পানি। ক্লাশে যেতে পানি কাঁদায় একাকার হয়ে যায় শিক্ষার্থীরা। চরম দুর্ভোগে পড়েন শিক্ষকরাও। বন্ধ হয়ে যায় খেলাধুলা। গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুর আমানউল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের চিত্র এরকমই। এ জন্য ২০২৪ সালে মাঠ ভরাট সিদ্ধান্ত হয়, বরাদ্দ করা হয় ৬ লাখ টাকা। কিন্তু দুই বছর পরেও এখনও মাটি ভরাট করা হয়নি। সেই টাকা ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি নাকি প্রধান শিক্ষকের পকেটে? আজও কেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পানিতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে? এ প্রশ্ন স্থানীয় জনমনে প্রবল হয়ে ঘুরছে।

অভিযোগ রয়েছে-২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে সরকারের পতন হওয়ার সুযোগে বিদ্যালয়ের তখনকার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির নামে ওই টাকা পকেটস্থ করেছেন প্রধান শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক ওয়াফিউল হাবীব সিটুর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন কেউ টাকা পকেটস্থ করেনি, টাকা ব্যাংকে রয়েছে। তবে দুই বছরেও মাঠ ভরাট না হওয়ার বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। বরাদ্দের টাকা থাকার পরেও কেন মাঠ ভরাট হচ্ছে না আর শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কবে শেষ হবে- সেই উত্তর খুঁজছেন দারিয়াপুরের মানুষ।

‎গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান বলেন, মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এজন্য পানি সেচের জন্য প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের অভিযোগ- মাঠের পানি সেচ দিতে অতিরিক্ত মেশিন ভাড়া দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছেন প্রধান শিক্ষক। ‎এসব বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, অভিযোগ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নই। তবে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে, সত্য হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।