• মাধুকর প্রতিনিধি
  • এই মাত্র

জামায়াতকে যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে পরস্পরের মুখোমুখি করে রাখা হয়েছে : ডা: শফিকুর রহমান



নওগাঁ প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, আমার এক্স আইডি হ্যাক করে গত কয়েক দিন থেকে আমার ওপর মিসাইল নিক্ষেপ করা হচ্ছে। যারা দেশকে গোলাম করে রাখতে চায়, পরিবারতন্ত্র কায়েম করতে চায়, তারাই আইডি হ্যাক করে মিথ্যাচার করছে। ইতোমধ্যে আমাদের সাইবার টিম বিষয়টি শনাক্ত করেছে এবং আটকও করা হয়েছে। জামায়াতকে যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে পরস্পরের মুখোমুখি করে রাখা হয়েছে। কিন্তু এখন আর তা হতে দেওয়া হবে না। এখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, মুসলিম; এই দেশ সকলের। সকলেরই অবদান আছে এই দেশের জন্য। নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে আমিরে জামায়াত বলেন, নারীদের দিকে কেউ চোখ তুলে তাকাতে পারবে না সেই পরিবেশ বাংলাদেশে তৈরি করা হবে। মায়ের অপমান কেউ সহ্য করবে না। মায়ের অপমান হলে যুবকেরা আবারও গর্জে উঠবে।

বেকারদের উদ্দেশ্য ডা: শফিকুর রহমান বলেন, আগস্টে যে সব ছেলে-মেয়ে ও যুবকেরা রাস্তায় নেমে সংগ্রাম করেছিল তারা কখনো বেকার ভাতা চাইনি। কিন্তু এখন কেন দিতে চাওয়া হচ্ছে। তবে আমরা তাদের পেশায় দক্ষতা করে গড়ে তুলবো। কাজ করো দেশ গড়ো, দেশ তোমরা বদলে দাও। আমির ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, পুরো উত্তরাঞ্চলকে কৃষি শিল্পের রাজধানী বানানো হবে। ধান-আম গবেষণায় আলাদা ইনস্টিটিউট হবে। এখানকার শিক্ষিত যুবকদের হাতে কাজ তুলে দেওয়া হবে। যাতে তারা বাড়ির খেয়ে পরে উপার্জন করতে পারে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁ শহরের এ টিম মাঠে নওগাঁ জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথাগুলো বলেন। জেলা জামায়াতে ইসলামের আমির খম আব্দুর রাকিবের সভাপতিত্বে সভায় কেন্দ্রীয়, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া জেলার ১১টি উপজেলা থেকে কয়েক লাখ জামায়াত সমর্থিতরা এটিএম মাঠের সমাবেশে অংশগ্রহণ করে। সমাবেশে পুরুষদের পাশাপাশি হাজার হাজার মহিলা সমর্থকরাও সমাবেশে অংশগ্রহণ করে।

এসময় প্রধান অতিথি জেলার ৬টি আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের জনগণের সঙ্গে পরিচয় করে দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট প্রার্থনা করেন তিনি। এসময় তিনি আগামীর ইনসাফমূলক সরকার গঠন করতে হলে এবং একটি বৈষম্যহীন, সুশাসনের একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।