• মাধুকর প্রতিনিধি
  • এই মাত্র

সুন্দরগঞ্জের ১২৩ কেন্দ্রে গেছে নির্বাচনী উপকরণ



সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি ►

বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। চার স্তরের নিরাপত্তা বলায়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভোট গ্রহণ। বুধবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১২৩টি ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে নির্বাচনী উপকরণ পৌচ্ছে গেছে। সকাল সাড়ে ৭টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ চলবে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে সার্বক্ষণিক দায়িত্বে রয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিস ও সহকারী রিটানিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে ১২৩টি ভেটে কেন্দ্রের ৭৭৩টি ভোট কক্ষের বিপরীতে ১২৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৭৭৩ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৫৪৬ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন। উপজেলায় ১১টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণসহ ৭৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ চিহিৃত করা হয়েছে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে এক জন করে পুলিশ, চারজন নারীসহ ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্বে থাকবেন। তবে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ৩ জন এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২ জন পুলিশ থাকবেন। এছাড়া গোটা উপজেলায় ৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৩ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ২ প্লাটুন বিজিবি ও পুলিশের ১০টি মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া স্টাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করবেন।

গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৮ জন প্রার্থী। প্রার্থীগণ হচ্ছেন জামায়াতের মো. মাজেদুর রহমান, বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পাটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোস্তফা মহসিন সরদা, পরমানন্দ দাস (বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল), মো. কাওছর আজম হান্নু (আমজনতার দল), মোছা. ছালমা আক্তার (স্বতন্ত্র), মো. রমজান আলীকে  (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পনের ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোট সংখ্যা ৪ লাখ ১৯ হাজার ১১১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭ হাজার ৫৭৩ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ১১ হাজার ৫৩৫ জন, এবং হিজড়া ভোটার ৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১২৩টি। মোট কক্ষের সংখ্যা ৭৭৩টি। এর মধ্যে স্থায়ী কক্ষ ৭০৫টি এবং অস্থায়ী কক্ষ ৬৮টি।