- মাধুকর প্রতিনিধি
- এই মাত্র
উন্নতমানের তুলা চাষ হচ্ছে দিনাজপুরে
দিনাজপুর প্রতিনিধি ►
মাঠে মাঠে এখন ধবধবে সাদা তুলা। সবুজ পাতার বুকে তুষারশুভ্র এ ফসলের হাসিতে দিনাজপুরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে তুলা চাষ। অন্যান্য ফসলের চেয়ে উৎপাদন খরচ ও বিপর্যয়ের ঝুঁকি কম এমন উন্নতমানের তুলা দিনাজপুরে চাষ হচ্ছে।
বাজারে আশানুরূপ দাম পাওয়ায় দিন দিন তুলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন চাষিরা। তবে সরকারি ঋণ, উন্নতমানের বীজসহ বাড়তি সুবিধা পেলে তুলা উৎপাদন করে দেশের চাহিদা অনেকাংশে মেটানো সম্ভব হবে। সম্ভাবনাময় তুলা অর্থকরী ফসল হিসেবে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
দিনাজপুর আঞ্চলিক তুলা গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বীজবর্ধনকেন্দ্রের অধীনে সদর উপজেলাসহ ৭টি উপজেলায় চাষিরা তুলা চাষ করছেন। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের এই খামারে চুক্তিবদ্ধ ও তালিকাভুক্ত চাষিদের মাধ্যমে মানসম্পন্ন তুলাজীব উৎপাদন, চাষিদের উন্নতমানের তুলাবীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা, ঋণ ও অন্যান্য উপকরণ প্রাপ্তিতে সহায়তা প্রদান, উন্নত প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, চাষিদের আগ্রহ সৃষ্টি ও উদ্বুদ্ধ করার কাজ করে যাচ্ছে।
দেশের চাহিদার শতকরা মাত্র ১০ ভাগ উৎপাদিত হয়। বাকি ৯০ ভাগ তুলা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এক একর জমিতে তুলা চাষ করতে খরচ হয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। প্রতি হেক্টর জমিতে এক দশমিক ৬ টন তুলা উৎপাদিত হয়। খামারে কর্মরত চাষি ও শ্রমিকরা প্রশিক্ষণসহ তুলা আবাদে ভূমিকা রাখছেন।
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের এই খামারে চুক্তিবদ্ধ ও তালিকাভুক্ত চাষিদের মাধ্যমে মানসম্পন্ন তুলাজীব উৎপাদন, চাষিদের উন্নতমানের তুলাবীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা, ঋণ ও অন্যান্য উপকরণ প্রাপ্তিতে সহায়তা প্রদান, উন্নত প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, চাষিদের আগ্রহ সৃষ্টি ও উদ্বুদ্ধ করার কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য আলোচনা-সমাবেশ, তুলা চাষের জন্য উপযুক্ত জমি জরিপ, আগ্রহী চাষিদের তালিকাভুক্তকরণ, তুলাচাষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদন ও গবেষণাবিষয়ক যেকোনো তথ্য প্রদান এই কেন্দ্রের অন্যতম কার্যক্রম ও সেবা।