- মাধুকর প্রতিনিধি
- এই মাত্র
পরিবেশ বিপর্যয়কারী ইউক্যালিপটাস গাছের রোপন বন্ধ হচ্ছে না
মোদাচ্ছেরুজ্জামান মিলু ►
পরিবেশ বিপর্যয়কারী বিভিন্ন গাছের মধ্যে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের রোপন কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। এখনও শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে বিভিন্ন স্থানে শত শত ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ দেখতে পাওয়া যায়। শহর থেকে পলাশবাড়ী রোড, সাদুল্যাপুর রোড, বাদিয়াখালী রোড, বালাসী ঘাটে এই সমস্ত গাছ দেখতে পাওয়া যায়।
গত বছরের ১৫ মে অর্থাৎ বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষায় সরকার আগ্রাসী প্রজাতির ইউক্যালিপটাস এবং আকাশমনি গাছের চারা রোপন, উত্তোলন ও বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণার কথা এই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করেছেন। পূর্বে সরকারের পক্ষ থেকে বহুবার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ মাটি থেকে অত্যধিক পানি শোষণ করে যার ফলে মাটির আর্দ্রতা নষ্ট হয়।
এছাড়াও গাছের পাতা থেকে নির্গত টক্সিন মাটিকে বিষাক্ত করে তোলে ফলে মাটির র্আদ্রতা নষ্ট হয়। আরো জানা গেছে যে দেশীয় পাখি ও কীটপতঙ্গ এ সব গাছে বাসা বাঁধে না বা খাদ্য খুঁজে পায় না। গাইবান্ধায় সামাজিক বনায়ন জোনে গিয়ে কোনো কর্মকর্তাকে না পেয়ে ফোনে কথা হয় ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি রেঞ্জার মো. এ এইচ এম শরিফুল ইসলাম মন্ডলের সাথে। তিনি বলেন, গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ বিষয়ে কাড়াকড়ি আরোপ হলে গাইবান্ধার বন অফিসে সামাজিক বনায়ন জোন হতে ৪৩ হাজার ৫ শত ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা ধ্বংস করা হয়েছে।
তার পরেও জেলার বিভিন্নস্থানে এই সমস্ত আগ্রাসী গাছের চারা রোপন বন্ধ হচ্ছে না এবং গাছগুলি খুবই দ্রুত বড় হচ্ছে। তাই দেখা যায় এই সমস্ত আগ্রাসী গাছের রোপন বন্ধ হচ্ছে না এবং মাঠ পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের কোনো তদারকি রোখে পড়ে না।