• মাধুকর প্রতিনিধি
  • এই মাত্র

পরিত্যক্ত অবস্থায় সুন্দরগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স: ভবনে এখন পোকামাকড় ও আগাছার রাজত্ব



সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটিতে এখন পোকামাড়কের বসবাস। দীর্ঘ দুই বছর ধরে কমপ্লেক্স ভবনের বাউন্ডারী প্রাচীরের গেট, ভবনের গেট, জানালা, দরজা খোলা থাকায় এবং তদারকি না করায় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। বর্তমানে ভবনটির খোজ খবর নিচ্ছেন না কেউ। 

পরিস্কার পরিছন্নতা না করার কারনে ঝাউ জঙ্গলে ভরে গেছে। সেই সাথে রাতের অন্ধকারে মাদকসেবনকারীদের গোপন আস্তানায় পরিনত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি নিয়ে সচেতন মহলের মাঝে আলোচনা সমালোচনা চলছে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজন ব্যবসায়ী বলেন, ভবনটির প্রাচীর এবং মুল গেটে তালা নেই। সে কারনে গভীর রাতে অনেকের আনাগোনা লক্ষকরা যায়। ঝাউ জঙ্গলে ভরে গেছে ভবনটি। 

জানা গেছে, সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে উপজেলা এলজিডির বাস্তবায়নে উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র স্বাধীনতা চত্বরের সাথে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই উদ্বোধন করা হয়। এরপর ভবনটির নিচ তলায় মার্কেট চালু করা হয় এবং দ্বিতীয় তলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ তাদের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করেন। ২০২৪ সালের পর থেকে ভবনটি আর ব্যবহার করা হচ্ছে না। সে কারনে ভবনটি দিন দিন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। সেই সাথে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার সম্পদ।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক রীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল হোসেন সরকার বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি কোন দলীয় প্রতিষ্ঠান নয়। এটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ দুই বছর ধরে সংস্কার ও মেরামতের অভাবে পড়ে রয়েছে। সে কারনে দিন দিন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। বর্তমানে ঝাউ জঙ্গলে ভরে গেছে এবং পোকামাকড় বসবাস করছে। তিনি বলেন ইতোমধ্যে উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে পরামর্শ করে সংস্কার ও মেরামতের জন্য বরাদ্দে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। সে কারনে ভবনটি মেরামত করা সম্ভাব হচ্ছে না।

উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. বাবুল আহমেদ বলেন, যেহেতু এটি সরকারের একটি মন্ত্রনালয়ের প্রতিষ্ঠান। সেহেতু এটি মেরামত ও সংস্কার একান্ত প্রয়োজন। এতে করে সরকার কমপ্লেক্স ভবন মার্কেট থেকে রাজস্ব আয় করতে পারবে। সেই সাথে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ তাদের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী অফিসার ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি সংস্কার ও মেরামতের জন্য বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ সাপেক্ষে মেরামত করা হবে। আপাতত অস্থায়ী কার্যালয়টিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা বসার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে। জরুরী ভিত্তিত্বে কমপ্লেক্স ভবনটির গেটে বা দরজায় তালা লাগানোর ব্যব