• মাধুকর প্রতিনিধি
  • এই মাত্র

গাইবান্ধা শহরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে লাল আটার রুটি



মোস্তাফিজুর রহমান ►
গাইবান্ধা শহরে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের তালিকায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে লাল আটার রুটি। শহরের সার্কুলার রোডে অবস্থিত শহর আলীর ‘কান্তামণি রুটি ঘর’ এখন স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষেরও পছন্দের খাবারের ঠিকানা হয়ে উঠেছে।

গমের লাল আটার তৈরি গরম গরম রুটির সঙ্গে ডিম ভাজি, আলু ভর্তা, সবজি ও খিচুড়ির স্বাদ নিতে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানটিতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। স্বাস্থ্যসম্মত ও ঘরোয়া স্বাদের কারণে অল্প সময়েই দোকানটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

কাঠ মিস্ত্রি বাবু মিয়া বলেন, সকালের নাশতায় আমি প্রায়ই এখানে আসি। লাল আটার রুটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি স্বাস্থ্যকর। দামও সবার নাগালের মধ্যে।

বাদিয়াখালী থেকে আসা আনারুল ইসলাম বলেন, রুটি খেয়ে খুব ভালো লেগেছে। বিশেষ করে আলু ভর্তা আর ডিম ভাজির সঙ্গে রুটির স্বাদ অসাধারণ। কদিন আগে খিচুড়ি খেয়ে দেখেছি ভালোই লেগেছে।

দোকানের কর্ণধার শহর আলী জানান, আগে ঢাকায় চাকরি করতাম। পরিবার থেকে দূরে থাকা, খাওয়া-দাওয়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেশি হওয়ায় গ্রামে ফিরে নিজেই কিছু করার সিদ্ধান্ত নিই। তখন থেকেই এই রুটির দোকান শুরু করি। আল্লাহর রহমতে ব্যবসা ভালো চলছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে হাঁসের মাংস দিয়ে রুটি, দেশীয় বিভিন্ন ভর্তা ও নতুন কিছু আইটেম যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ক্রেতাদের ভালো মানের ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।

স্থানীয়দের মতে, বিশুদ্ধ উপকরণ ব্যবহার, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং ভিন্নধর্মী স্বাদের কারণে শহর আলীর লাল আটার রুটি ইতোমধ্যেই গাইবান্ধা শহরের একটি জনপ্রিয় খাবারে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন ক্রেতার আগমনে জমে উঠছে কান্তামণি রুটি ঘর।