- মাধুকর প্রতিনিধি
- এই মাত্র
জাপানে জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১.৮ শতাংশ
বাসস ►
জাপানে জুলাই মাসে খাদ্যপণ্যের দাম বাদ দিয়ে হিসাব করা মূল মূল্যস্ফীতি (কোর ইনফ্লেশন) বেড়ে ১.৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। গত জুন মাসে এই হার ছিল ১.৬ শতাংশ। শুক্রবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং জাপানি ইয়েনের দুর্বল অবস্থানের কারণে দেশটিতে পণ্যের দাম বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, খাদ্যপণ্যের মতো অস্থিতিশীল দামের উপাদান বাদ দিয়ে হিসাব করা জুলাইয়ের মূল্যস্ফীতি ১.৮ শতাংশ হয়েছে। এই হার বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
খাদ্য ও জ্বালানির দাম—দুটিই বাদ দিলে জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ১.৯ শতাংশে। জুনে এই হার ছিল ১.৭ শতাংশ। এটিও বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।অন্যদিকে, কোনো পণ্য বাদ না দিয়ে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি হিসাব করলে জুলাইয়ে তা ১.৯ শতাংশে উঠেছে, যা জুনের ১.৬ শতাংশের চেয়ে বেশি। ব্লুমবার্গ নিউজের হিসাবে, এই হারও অর্থনীতিবিদদের গড় পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
জাপানি ইয়েনের দুর্বল অবস্থান দেশটির বড় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো, যেমন- টয়োটা ও সনি—কে কিছুটা সুবিধা দিচ্ছে। তবে একই সঙ্গে জাপানের মতো প্রাকৃতিক সম্পদে ঘাটতি থাকা দেশের জন্য তেল ও খাদ্যের মতো আমদানি করা পণ্যের খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে দুর্বল ইয়েন।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তাদের ওপর চাপ কমাতে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ব্যাংক অব জাপান) মূল মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। চলতি বছরের জুনে ব্যাংকটি সুদের হার বাড়িয়ে ৩১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যায়। চলতি বছরই আবার সুদের হার বাড়ানো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ালে জাপানি ইয়েনের মূল্য বাড়তে পারে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান যৌথভাবে বাজারে হস্তক্ষেপ করার পর ইয়েনের দাম বেড়েছিল। তবে এরপর সেই বাড়তি মূল্যের প্রায় অর্ধেকই আবার কমে গেছে।