- মাধুকর প্রতিনিধি
- এই মাত্র
বাংলাদেশ-ভারত ফের ট্রেন চালুর প্রস্তুতি অনুমতির অপেক্ষায় মৈত্রী বন্ধন ও মিতালি এক্সপ্রেস
অনলাইন ডেস্ক ►
বর্তমানে আকাশ ও সড়কপথে কিছু যাত্রী বাংলাদেশ ও ভারত রুটে চিকিৎসাসহ জরুরি কাজে যাতায়াত করেন। ২০২৪ সালের ২৫ জুলাই থেকে আন্তঃদেশীয় মালবাহী ট্রেন এবং এর আগে ১৮ জুলাই থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। এর পর উভয় সরকারের সিদ্ধান্তে মালবাহী ট্রেন চালু হলেও যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ট্রেন চালু নিয়ে উভয় দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে। ইতিবাচক মনোভাব পাওয়ায় শিগগির উভয় দেশের মধ্যে এ নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
মৈত্রী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস ও মিতালি এক্সপ্রেস নামে তিনটি ট্রেন চলাচল করত দুই দেশের মধ্যে। এর মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস চলাচল করত ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-কলকাতা রুটে। বন্ধন এক্সপ্রেসের রুট হচ্ছে খুলনা-কলকাতা। আর মিতালি এক্সপ্রেসের রুটে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-নিউ জলপাইগুড়ি। এ তিনটি জনপ্রিয় ট্রেন বন্ধ রয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে বিষয়টি আর অগ্রগতি পায়নি। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার স্বার্থে যাত্রীরা আকাশপথ ও সড়কপথে যাতায়াত করছেন। রেলপথ খুলে দিলে সবার জন্য সুবিধা বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন আমাদের সময়কে বলেন, যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর বিষয়টি দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তের বিষয়। রেলওয়ে কেবল পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে। আপাতত যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ রয়েছে।
তথ্যমতে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেলপথের ৮টি ইন্টারচেঞ্জ রুট ছিল। এগুলো হচ্ছেÑ ১. বেনাপোল (বাংলাদেশ)-পেট্রাপোল (ভারত); ২. দর্শনা (বাংলাদেশ)-গেদে (ভারত), ৩. রহনপুর (বাংলাদেশ)-সিংগাবাদ (ভারত); ৪. বিরল (বাংলাদেশ)- রাধিকাপুর (ভারত); ৫. চিলাহাটি (বাংলাদেশ)-হলদিবাড়ি (ভারত); ৬. শাহবাজপুর (বাংলাদেশ)-মহিশাসন (ভারত); ৭. বুড়িমারী (বাংলাদেশ)-চেংড়াবান্ধা (ভারত) এবং ৮. মোগলহাট (বাংলাদেশ)-গিতলদহ (ভারত)। এগুলোর মধ্যে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ট্রেন চলাচল অব্যাহত ছিল। বর্তমানে ৫টি ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট দর্শনা-গেদে, বেনাপোল-পেট্রাপোল, রহনপুর-সিঙ্গাবাদ, বিরল-রাধিকাপুর, চিলাহাটি-হলদিবাড়ি। এসব রুট দিয়ে পণ্য ও যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করছে। তবে আপাতত যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ। এ ছাড়া আখাউড়া-আগরতলা নতুন পথ ট্রেন চলাচলের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।