- মাধুকর প্রতিনিধি
- তারিখঃ ১৫-৪-২০২৬, সময়ঃ বিকাল ০৪:১০
সুন্দরগঞ্জে পরীক্ষার প্রথমদিন অনুপস্থিত ৭১১জন যষ্ঠ শ্রেনিতে পড়ে ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা
সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি ►
যষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যায়ন করে দিতে হচ্ছে ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রথম দিন অনুপস্থিত ছিল ৭১১ জন । গেল বছরের ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল বৃত্তি পরীক্ষার। কিন্তু মামলা সংক্রান্ত জটিলতার কারনে সারা বাংলাদেশ দেরিতে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু। সে কারনে অনুপস্থিতর সংখ্যা বেশি দাবি শিক্ষা কর্মকর্তা ও অভিভাকদের। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার হতে ২০২৫ সালের প্রাথমিক স্তরের ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করছেন ২০৫০ জন।
এর মধ্যে পরীক্ষার প্রথম দিন বুধবার অনুপস্থিত ছিল ৭১১ জন। আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। উপজেলার চারটি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জানা গেছে, ২০২৫ সালে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে কেজি স্কুল এ্যাসোসিয়েশন আদালতে রিট করেন। রিটের নিস্পিত্তি না হওয়ায় গেল বছর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। নির্বাচিত সরকার আসার পর শিক্ষা মন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক বৃত্তি পরীক্ষা বুধবার শুরু হয়। অভিভাবক বাদশা মিয়া বলেন, ছেলে মেয়েদের ৫ম শ্রেনির পড়া লেখা মনে হারে গেছে। তারা তো এখন যষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।
সে কারনে তার মেয়ে পরীক্ষা দিতে আসে নাই। তিনি বলেন শীতকালের পরীক্ষ যদি গরমের দিনে হয়, তাহলে তো অনুপস্থিত থাকবে। হাজি দবির উদ্দিন কিন্ডার গার্টেনের পরিচালক আজাদুল করিম নিপু বলেন, কেজি স্কুলের ৫ম শ্রেনির শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে পারবেন না। কেন পারবেন না? এ নিয়ে রিট করা হয়েছিল। অন্তবর্তিকালিন সরকারের আমলে এ রিটের ব্যাপারে কোন সিন্ধান্ত দিতে পারেন নাই। সে কারনে বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ ছিল। নির্বাচিত সরকার এসে পরীক্ষার অনুমতি দিলে দেরিতে পরীক্সঅ শুরু হয়।
দুলাল পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মতিউর রহমান বলেন, ২০২৫ সালের ৫ম শ্রেনির শিক্ষার্থীরা এখন যষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যায়ন করতেছে। এখন তাদের জন্য ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা দেয়া অত্যন্ত কষ্টকর। সে কারনে অনেকে অনুপস্থি ত রয়েছে। উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুকুল চন্দ্র বর্মন বলেন, দেরিতে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কারনে সিংহভাগ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত। শিক্ষার্থীগণ পড়া লেখায় অমনোযোগি হয়ে পড়েছেন। কারন তারা তো এখন যষ্ঠ শেনিতে পড়ে।